default-image

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান লন্ডনে বসে ঢাকায় দলটির মনোনয়নপ্রত্যাশীদের ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যে সাক্ষাৎকার নিচ্ছেন, তাতে এই মুহূর্তে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কিছু করার নেই। আজ সোমবার ইসির বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত হয়।

বিকেল পৌনে পাঁচটায় ইসি সচিবালয়ের সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ সাংবাদিকদের বলেন, কমিশনের বৈঠকে তারেক জিয়ার ভিডিও কনফারেন্সের ব্যাপারে আলোচনা হয়েছে। কিন্তু এ ব্যাপারে ইসির এই মুহূর্তে করার কিছু নেই বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর আগে তারেকের কনফারেন্সের এই বিষয়টি নিয়ে ইসির কাছে অভিযোগ করেছিল আওয়ামী লীগ

এদিকে গত ১৪ নভেম্বর নয়াপল্টনে বিএনপি কার্যালয়ের সামনে পুলিশের সঙ্গে বিএনপির নেতা-কর্মীদের সংঘর্ষের যে ঘটনা ঘটেছিল, তা নিয়েও কথা বলেন ইসি সচিব। তিনি বলেন, গতকাল রোববার ওই ব্যাপারে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন আইজিপি। আজ কমিশন এই প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে দেখেছে। পর্যালোচনায় কমিশনের মনে হয়েছে সেখানে ফৌজদারি অপরাধ হয়েছে। সুতরাং এই ঘটনায় তদন্ত চলতে কোনো বাধা নেই।

গতকাল ইসিকে ৭৭৩ জনের মামলার যে তালিকা বিএনপি দিয়েছে সে ব্যাপারেও কথা বলেন হেলালুদ্দীন আহমদ। তিনি বলেন, কমিশনের আজকের বৈঠকে এ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। কমিশন বলেছে, তফসিলের আগে যেসব মামলা হয়েছে সে বিষয়ে ইসির কারার কিছু নেই। কিন্তু তফসিলের পরে যেসব মামলা হয়েছে, বিএনপির দেওয়া তালিকায় সে ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট অপরাধ উল্লেখ করা হয়নি। তাই এ ব্যাপারেও কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি ইসি।

নির্বাচনী প্রচারণার বিষয়ে ইসি সচিব বলেন, প্রচার উপকরণ অপসারণের সময়সীমা ছিল গতকাল দিবাগত রাত ১২টা পর্যস্ত। কমিশন খোঁজ নিয়েছে, ৯০ শতাংশ উপকরণ সরানো হয়েছে। যেগুলো সরানো হয়নি, সেখানে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য করুন