বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘আপনারা জানেন, বাইরে যখন বজ্রপাত হয়, ঘরের ভেতরের মানুষও চমকে ওঠে। আজকের যে পরিস্থিতি চলছে, যে দুঃশাসন চলছে, তার প্রতিবাদে রাজীবরা যখন রাজপথে হেঁটে যান, তখন সরকারের মধ্যে বজ্রপাত হয়। সরকারপ্রধান চমকে ওঠেন। এ কারণেই রাজীব আহসানরা কারাগারে। তারুণ্যদীপ্ত নেতৃত্ব রাজপথে হাঁটলে সরকারের রাজসিংহাসন থরথর করে কেঁপে ওঠে।’

রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‌‌‘তারেক রহমান লন্ডন থেকে কথা বলেন, দল পরিচালনা করেন। সেখান থেকে তারেক রহমান কথা বলেলই সরকার কেন যেন অস্বাভাবিক হয়ে পড়ে। আপনারা ৫ রিখটার স্কেলে, ৬ রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের কথা শুনেছেন।

তারেক রহমান কথা বললে ভূমিকম্প হয় ১০ রিখটার স্কেলে। এ কারণেই প্রতিদিন তারেক রহমান ও খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে বলে যাচ্ছেন আওয়ামী লীগ নেতারা।’
রিজভী বলেন, ‌‘গতকাল তিনি (প্রধানমন্ত্রী) বলেছেন, লন্ডন থেকে ষড়যন্ত্র হচ্ছে। আপনি বলেন, ষড়যন্ত্র কাকে বলে? দিনের ভোট রাতে, যেখানে ভোটাররা যান না—এর চাইতে ষড়যন্ত্র কী হতে পারে? এটা জনগণের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র, গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র, মানুষের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র।’

প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে তিনি আরও বলেন, ‘প্রতিনিয়ত আপনি জনপ্রতিনিধি, ছাত্র, যুবকদের বিচারবহির্ভূত হত্যা, না হয় গুম করছেন। ঢাকা শহরে ৫০টি ক্যাসিনো চলে, যার মালিক যুবলীগ–ছাত্রলীগ।’

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিএনপির প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি বলেন, ‌‘আমরা এখন কঠিন বাস্তবতার মধ্যে আছি। রাজীব আহসানের মতো অসংখ্য নেতা-কর্মী কারাগারে রয়েছে, যাদের নাম বলে শেষ করা যাবে না। দেশে এখন আইনের শাসন নেই, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নেই, ভোটের অধিকার নেই। এই সরকার রাতের আঁধারে প্রশাসনকে দিয়ে জনগণকে জিম্মি করে ক্ষমতা দখল করেছে। রাজপথে আন্দোলন করে এই সরকারকে হটিয়ে সব রাজবন্দীকে মুক্ত করে আনতে হবে।’

স্বাধীনতা ফোরামের সভাপতি আবু নাসের মো. রহমত উল্লাহর সভাপতিত্বে মানবন্ধনে আরও বক্তব্য দেন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন, এলডিপি মহাসচিব শাহাদাত হোসেন সেলিম, ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আকরামুল হাসান, ছাত্রদলের সভাপতি ফজলুর রহমান খোকন, সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন শ্যামল প্রমুখ।

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন