ঢাকা–১৮ উপনির্বাচনে উত্তরার বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের একটি কক্ষ। ১২ নভেম্বর, ঢাকা
ঢাকা–১৮ উপনির্বাচনে উত্তরার বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের একটি কক্ষ। ১২ নভেম্বর, ঢাকাছবি: হাসান রাজা

ঢাকা–১৮ আসনের উপনির্বাচনে একটি কেন্দ্রে তিন ঘণ্টায় মাত্র ১ দশমিক ১৭ শতাংশ ভোট পড়েছে। কেন্দ্রটিতে মোট ভোটার ২ হাজার ৯৭৭ জন। সকাল ৮টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত এই কেন্দ্রে ভোট দিয়েছেন মাত্র ৩৫ জন।

রাজধানীর দক্ষিণখান এলাকায় এমারত হোসেন আদর্শ উচ্চবিদ্যালয়ের একটি নারী ভোটকেন্দ্রে সরেজমিন ঘুরে এই তথ্য পাওয়া গেছে।

আজ বৃহস্পতিবার সকাল আটটা থেকে এই আসনে ভোট গ্রহণ চলছে। বিরতিহীনভাবে চলবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। এই আসনে মোট ভোটার ৫ লাখ ৭৭ হাজার ১৯০ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৯৬ হাজার ১৩৬ এবং নারী ভোটার ২ লাখ ৮১ হাজার ৫৪ জন। ভোটকেন্দ্র রয়েছে ২১৭টি আর ভোটকক্ষের সংখ্য ১ হাজার ৩৫৩টি।

এমারত হোসেন আদর্শ উচ্চবিদ্যালয়ের ওই নারী ভোটকেন্দ্র ঘুরে দেখা যায়, সেখানে আওয়ামী লীগের এজেন্ট ছাড়া অন্য কোনো দলের একজনও নেই। জানতে চাইলে কেন্দ্রের প্রিসাইডিং কর্মকর্তা মহিবুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, সকালে বিএনপির দুজন এজেন্ট কেন্দ্রে এসেছিলেন। তাঁদের নিয়োগপত্রসহ কেন্দ্রে আসতে বলেছি, এখন পর্যন্ত তাঁরা আসেননি।

এই কেন্দ্রের সাতটি মনিটর রয়েছে। ইভিএমে ভোট দেওয়ার তথ্য মেলে এই মনিটরে।

বিজ্ঞাপন

ভোটের কক্ষেই এসব মনিটর থাকে। দুপুর ১২টায় ঘুরে দেখা যায়, ১ নম্বর মনিটরে ভাসছে মাত্র পাঁচ জনের ভোট দেওয়ার তথ্য। এখানে ভোটার ছিলেন ৪২৬ জন। ২ নম্বর মনিটরে ৪২৬ জন ভোটারের মধ্যে ৪ জন ভোট দিয়েছেন। ৩ নম্বর মনিটরে ৪২৬ জন ভোটারের মধ্যে ৩ জন ভোট দিয়েছেন, ৪ নম্বর মনিটরের সাতজনের ভোট দেওয়ার তথ্য ভাসছে। এখানেও ভোটার ৪২৬ জন। ৫ নম্বর মনিটরে ৪২৬ জনেরর মধ্যে ৬ জন, ৬ নম্বর মনিটরেও ৪২৬ জনের মধ্যে ৬ জন এবং ৭ নম্বর মনিটরে ৪২০ জন ভোটারের মধ্যে ৪ জনকে ভোট দিতে দেখা গেছে।

কেন্দ্রে ভোটারদের কম উপস্থিতি এবং দলীয় প্রার্থীদের এজেন্ট না থাকা বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে রিটার্নিং কর্মকর্তা জি এম সাহাতাব উদ্দিন প্রথম আলোকে বলেন, এখনো সময় আছে ভোটাররা হয়তো কেন্দ্রে আসবেন। তিনি কেন্দ্রে এসে ভোটারদের পছন্দের প্রার্থীদের ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।

বিএনপি ও আওয়ামী লীগসহ এই আসনে ছয়জন প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

এর মধ্যে বিএনপির প্রার্থী এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন, আওয়ামী লীগের প্রার্থী মোহাম্মদ হাবিব হাসান, জাতীয় পার্টির নাসির উদ্দিন সরকার, গণফ্রন্টের গাজী মো. শহীদুল্লাহ, বাংলাদেশ কংগ্রেসের ওমর ফারুক, প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক পার্টির মহিবুউল্লাহ বাহার।

মন্তব্য পড়ুন 0