বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

জি এম কাদের বলেন, ৩ নভেম্বর রাতে হঠাৎ ডিজেল ও কেরোসিনের দাম লিটারে ১৫ টাকা বাড়িয়ে ৮০ টাকা নির্ধারণ করে সরকার। এই সিদ্ধান্তে পরিবহনসংশ্লিষ্টরা আন্দোলনে নামলে সরকার তেলের দাম না কমিয়ে বাসভাড়া ২৭ ভাগ এবং লঞ্চভাড়া ৩৫ ভাগ বাড়িয়ে দেয়। এতে সাধারণ মানুষ অসহনীয় ভোগান্তির শিকার হবে। তেলের দাম বাড়ার সঙ্গে পরিবহনসহ জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়ে যাচ্ছে কয়েক গুণ।

জ্বালানি তেল ও গণপরিবহনের ভাড়া কমানোর দাবি জানিয়ে বিবৃতিতে বলা হয়, করোনাকালে কয়েক কোটি মানুষ কর্মহীন হয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছে। এমন বাস্তবতায় তেলের দাম বাড়ানো একেবারেই অগ্রহণযোগ্য সিদ্ধান্ত। পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতও এই মুহূর্তে ডিজেল ও কেরোসিনের দাম কমিয়ে দিয়েছে। তাই জীবনযাত্রার ব্যয় স্বাভাবিক করতে জ্বালানি তেল ও গণপরিবহনের ভাড়া কমানো অত্যন্ত জরুরি।

সরকারের উদ্দেশে জাপার চেয়ারম্যান বলেন, ‘আমরা ডিজেল, কেরোসিনের বর্ধিত দাম কমানোর দাবি করছি। পাশাপাশি সড়ক ও নৌপথের বর্ধিত ভাড়াও কমানোর দাবি জানাচ্ছি।’

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন