বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

প্রথম আলো: পৌরসভার প্রথম নির্বাচিত মেয়র। মানুষের প্রত্যাশাও বেশি থাকবে। আপনি আগে কখনো জনপ্রতিনিধিও ছিলেন না। সামনে কি কঠিন চ্যালেঞ্জ?

আবু বকর সিদ্দীক: রাজনৈতিক কর্মী হওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত থাকায় দীর্ঘদিন জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে কাজ করার সুযোগ পেয়েছি। এ ছাড়া দেবীগঞ্জ এলাকাটি রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলামের নির্বাচনী এলাকা। একসময় আমি তাঁর ব্যক্তিগত সহকারী ছিলাম। তিনি আমাকে অত্যন্ত স্নেহ করেন। আমার বিশ্বাস, রেলমন্ত্রীর পরামর্শে কাজ করতে পারব।

প্রথম আলো: বহিষ্কৃত হয়েছেন। এরপরও দলীয় নেতা-কর্মীদের কতটা সমর্থন পাবেন?

আবু বকর সিদ্দীক: নির্বাচনে দলীয় শৃঙ্খলা ও কিছু বাধ্যবাধকতার কারণে হয়তো নেতা-কর্মীরা সরাসরি আমার সঙ্গে কাজ করতে পারেননি। কিন্তু মন থেকে তাঁরা আমার পাশেই ছিলেন। তাঁদের সঙ্গে নিয়েই কাজ করতে চাই।

প্রথম আলো: ভোট চাওয়ার সময় জনগণকে দেওয়া প্রতিশ্রুতির কতটা বাস্তবায়ন করবেন?

আবু বকর সিদ্দীক: দেবীগঞ্জ এমনিতেই প্রাকৃতিক সৌন্দর্যমণ্ডিত একটি এলাকা। অল্প কিছু কাজ করলেই পর্যটকদের আকৃষ্ট করা যাবে। এ ছাড়া মডেল পৌরসভা গড়তে যা যা করার প্রয়োজন, সবই করা হবে। আর পৌরবাসীকে ধন্যবাদ, তাঁরা আমাকে বিমুখ করেননি। আমিও তাঁদের সঙ্গে বেইমানি করব না।

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন