বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে হাসানুল হক ইনু বলেন, যারা মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করেছে, তারা মানবতার শত্রু। স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে ধর্মান্ধ ও সাম্প্রদায়িক অপশক্তির স্থায়ী অবসান আবশ্যক।

অনুষ্ঠানে বীর মুক্তিযোদ্ধারা মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচারণা করেন এবং সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।

শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি জাফরুল্লাহ চৌধুরী, একাত্তরের মুক্তিযোদ্ধা সংসদের চেয়ারম্যান আবির আহাদ, অধ্যাপক রোবায়েত ফেরদৌস, কলামিস্ট সেলিম সামাদ, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের কোষাধ্যক্ষ খায়রুজ্জামান কামাল, ওমর বিন আব্দাল আজিজ তামিম, তরুণ গবেষক মারুফ রসুল প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, ধর্মীয় অনেক সংগঠন রয়েছে; কিন্তু আহমদীয়া জামা’তের মতো প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা আর কোনো ধর্মীয় সংগঠনে আছে বলে তাঁদের জানা নেই। আহমদীয়া জামা’তে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা রয়েছেন কিন্তু কোনো রাজাকার নেই।

বক্তারা আরও বলেন, ধর্ম–বর্ণ–দলনির্বিশেষে সবাই যেভাবে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়ে এ দেশকে স্বাধীন করেছিল এবং সবাইকে সম্প্রীতির বন্ধনে আবদ্ধ করেছিল, সেই সম্প্রীতির বন্ধনে যেন কেউ ফাটল সৃষ্টি করতে না পারে, সে বিষয়ে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।

অনুষ্ঠানে আহমদীয়া জামা’তের সদস্য ৬১ বীর মুক্তিযোদ্ধাকে সম্মাননা এবং ৫ জন শহীদকে মরণোত্তর সম্মাননা দেওয়া হয়।

আবদুল আউয়াল খান চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশের আহমদীয়ারা যেখানেই অবস্থান করছেন, তাঁরা সমাজের নিরাপত্তা ও ভরসাস্থল এবং তাঁরা শান্তিপ্রিয় নাগরিক। আহমদীয়ারা কেবল আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে দেশপ্রেম এবং মানবসেবার ব্রতে উজ্জীবিত।

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন