default-image

তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেন, প্রচণ্ড দুঃসময়ে আওয়ামী লীগের নেত্রী শেখ হাসিনা আস্থা রেখেছিলেন জিল্লুর রহমানের ওপর। যখন অন্য নেতারা ভিন্ন সুরে কথা বলছিলেন, তখন দলকে ঐক্যবদ্ধ রেখেছিলেন জিল্লুর রহমান। ধৈর্যের সঙ্গে কীভাবে সংকটময় পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হয় এবং সুন্দর ভাষায় কঠোর প্রতিবাদ করতে হয়, তা তিনি শিখিয়েছিলেন।

সাবেক রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের অষ্টম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে দুই দিনব্যাপী আয়োজিত এক সভার প্রথম দিনে আজ শুক্রবার প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন। রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে এই আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভার আয়োজন করে জিল্লুর রহমান পরিষদ।

সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলায় হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজনের বাড়িঘরে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনাকে ষড়যন্ত্র বলে উল্লেখ করেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, দেশ যখন এগিয়ে যাচ্ছে, বিদেশি নেতারা যখন বাংলাদেশের প্রশংসায় পঞ্চমুখ, তখন এ হামলা চালানো হয়েছে। বিদেশি অতিথিরা আসছেন, স্থিতিশীল দেশের ওপর কালিমা লেপনের জন্য হামলা চালানো হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর তড়িঘড়ি করে একটি বিবৃতি দিয়েছেন জানিয়ে তিনি বলেন, ‘নিজেরাই ঘটনা ঘটিয়ে বিবৃতি দিচ্ছেন। তদন্তেই বেরিয়ে আসবে কারা উসকানি দিয়েছে।’

জিল্লুর রহমান পরিষদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রোকনুদ্দিন পাঠানের সঞ্চালনায় সভায় সভাপতিত্ব করেন আওয়ামী লীগ নেতা এম এ করিম। বক্তব্য দেন স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ শাহজাহান আলম, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব সফিকুল বাহার মজুমদার, সাবেক ছাত্রনেতা বলরাম পোদ্দার, জিল্লুর রহমান পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মো. আক্তারুজ্জামান খোকা।

অন্য বক্তারা বলেন, জিল্লুর রহমান ছিলেন নির্লোভ মানুষ। তিনি মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক ও ভাষা সৈনিক ছিলেন। দেশ ও দলের জন্য অনেক ত্যাগ স্বীকার করেছেন।

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন