বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বিবৃতিতে হেফাজতের আমির বলেন, জঙ্গি অর্থায়ন ও দেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টে কাজ করছেন এমন অভিযোগ এনে সম্প্রতি ১১৬ ওয়ায়েজিনের (ধর্মীয় বক্তা) একটি তালিকা দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) জমা দিয়েছে ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সমন্বয়ে গঠিত মৌলবাদী ও সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাস তদন্তে ‘গণকমিশন’। হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে।

মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী বলেন, ‘আমরা আজ ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সমন্বয়ে গঠিত তথাকথিত গণকমিশনের করা অভিযোগ সম্পর্কে জানতে পেরেছি। এই ভুঁইফোড় সংগঠনটি বরাবরের মতোই নিজেদের ইসলামবিদ্বেষী চেহারা জাতির সামনে উন্মোচিত করেছে। তাদের এই শ্বেতপত্র যে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, বানোয়াট এবং মিথ্যা তথ্যে ভরপুর, এটি সমগ্র দেশবাসীর সামনে দিবালোকের ন্যায় পরিষ্কার।’

দেশবরেণ্য ইসলামি আলোচকদের নামে অমূলক ও ভিত্তিহীন অভিযোগ করে তথাকথিত গণকমিশনের দায়িত্বশীলেরা নিজেদের গ্রহণযোগ্যতাই হারিয়েছেন বলে দাবি করেন হেফাজতের আমির। তিনি বলেন, বাস্তবতাবিবর্জিত এসব কথাবার্তা বলে নিজেদের জাতির সামনে চরম উপহাসের পাত্রে পরিণত করেছেন তাঁরা।

মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, এসব বানোয়াট বক্তব্যের কারণে দেশে চরম অশান্তি সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। যারা এসব উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড করছে, সরকার যেন তাদের শক্ত হাতে প্রতিহত করে।

বিবৃতিতে বলা হয়, ওয়াজ মাহফিল শান্তি-সমৃদ্ধি ও আদর্শ সমাজ গঠন ও সমাজ সংস্কারের উত্তম মাধ্যম। এর মাধ্যমে মানুষকে ইহকালীন ও পরকালীন কল্যাণের পথনির্দেশ করা হয়। সমাজের সব অনাচার, অন্যায় এবং ভুল থেকে মানুষকে বিরত রাখা হয়। ইসলামি আলোচকেরা ধর্মের বিশুদ্ধ বার্তা মানুষের দ্বারে দ্বারে পৌঁছে দেওয়ার জন্য বহুমুখী ত্যাগ–তিতিক্ষা করে থাকেন।

দুদকে এই মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করে দেশ-জাতি, সমাজ এবং ইসলামের বিরুদ্ধে অপপ্রয়াস চালানো হচ্ছে। হেফাজতের আমির অভিযোগ করেন, তারা (গণকমিশন) আজ আলেম–ওলামাদের সরকারের মুখোমুখি দাঁড় করানোর চক্রান্ত করছে।

সরকার এখনই শক্ত হাতে যদি এই সংগঠনকে দমন না করে, তাহলে ইসলামপ্রিয় আপামর তৌহিদি জনতা কঠোর আন্দোলনে নামতে বাধ্য হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী।

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন