বিজ্ঞাপন

খালেদা জিয়ার ঠিক জন্মদিন কোনটা, সেটা জনগণ জানতে চায় উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আমিও দেখেছি, করোনা টেস্টের রিপোর্টে খালেদা জিয়ার জন্মতারিখ ৮ মে ১৯৪৬ সাল। এই গোমর যখন ফাঁস হয়ে গেছে, আজকে নাকি ফখরুল সাহেব সংবাদ সম্মেলন ডেকেছেন, নিশ্চয় বলেছেন, এটি সঠিক নয়।’

‘আপনাদের পাসপোর্টে একটা জন্মতারিখ, স্কুল সার্টিফিকেটে আরেকটা, প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পরে অন্য একটা, আবার করোনা রিপোর্টে আরেকটা জন্মতারিখ—আপনাদের ঠিকটা কোনটা, সেটা জনগণ জানতে চায়,’ উল্লেখ করে হাছান মাহমুদ বিএনপির উদ্দেশে বলেন, ‘এই ধরনের ভাঁওতাবাজির রাজনীতি, মিথ্যার রাজনীতি, জনগণকে ধোঁকা দেওয়ার রাজনীতি পরিহার করুন। টেলিভিশনে উঁকি দিয়ে দিয়ে সরকারের সমালোচনা করলেই রাজনৈতিক দল হওয়া যায় না।’

হাছান মাহমুদ বলেন, ‘আমরা প্রতিহিংসার রাজনীতি করি না। বিএনপি এবং খালেদা জিয়াই প্রতিহিংসার রাজনীতি করে। সে জন্যই তারা ১৫ আগস্ট মিথ্যা জন্মদিন পালন করে, ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা হয়েছিল, ১৯৯৬ সালে পাতানো নির্বাচন করে বঙ্গবন্ধুর খুনিকে বিরোধীদলীয় নেতা বানানো হয়েছিল, বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের বিচার তারা বন্ধ করেছিল।’

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন