বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা যে যে পেশায় থাকি না কেন, আমাদের বড় পরিচয় আমরা বাঙালি। আমার দেশ যত উন্নত, সমৃদ্ধ ও সম্মানিত হবে, আমি ব্যক্তিগতভাবে সে সম্মানের অংশীদার হব। পক্ষান্তরে আমার দেশ যদি কোনো কারণে ক্ষতিগ্রস্ত ও কলঙ্কিত হয়, দেশের সুনাম নষ্ট হয়, তাহলে এর অংশীদারও আমি হব। আমরা এর দায়ভার এড়াতে পারি না।’

ছেলেমেয়েদের অভিভাবকদের উদ্দেশে তাজুল ইসলাম বলেন, ছেলেমেয়েদের স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠিয়ে দায়িত্ব শেষ হবে না। তাদের আগামী দিনের মানবসম্পদে পরিণত করতে হবে। এ জন্য খেলাধুলা, শারীরিক কসরতসহ মানসিক ও সৃজনশীল চিন্তাচেতনার বিকাশ ঘটিয়ে সামাজিক অবক্ষয় থেকে তাদের রক্ষা করতে হবে। খেলাধুলা মানসিক বিকাশ ঘটায়। মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের বিপ্লবের বিকল্প নেই।

বাংলাদেশ এখন আর ‘ফকির-মিসকিনের’ দেশ নয় উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশকে লক্ষ্য করে আঙুল তুলে বা চোখ রাঙিয়ে কথা বলার সুযোগ নেই। কেউ আঙুল বা চোখ রাঙিয়ে কথা বললে তার জবাব দেওয়ার ক্ষমতা আমাদের আছে। দেশ নিজস্ব ক্ষমতার ওপর নির্ভরশীল। শেখ হাসিনার জন্য বাঙালি বিশ্বে নতুন পরিচয় পেয়েছে।’

আয়োজক সংগঠন ইআরসির নির্বাহী ভাইস চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ আলমগীরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনের সভাপতি মো. নূরুল হুদা ও সাধারণ সম্পাদক মো. শাহাদৎ হোসেন।

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন