বিজ্ঞাপন

তিনি অপরাজনীতিতে বিশ্বাস করেন না এবং অপরাজনীতির বিরুদ্ধে—অনুষ্ঠানে এ ঘোষণা দেন কাদের মির্জা। তিনি বলেন, ‘নোয়াখালী, ফেনী ও কোম্পানীগঞ্জের অপরাজনীতি ও অপরাজনীতিকদের বিরুদ্ধে আমার কোনো আন্দোলন নয়। আমার আন্দোলন হচ্ছে এটা পরিবর্তনের জন্য। এ দেশের গরিব শ্রেণির ওপর শোষণের যে রাজত্ব চলছে, সেই রাজত্ব থেকে গরিব মানুষকে উদ্ধার করে গরিব মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা করব। সে লক্ষ্যে আমি কাজ করে যাব আজীবন।’

কাদের মির্জা বলেন, ‘আর একটা কথা, আমি অসাম্প্রদায়িক রাজনীতি করব। কারও বিরুদ্ধে আপনারা কথা বলবেন না। অপরাজনীতির হোতাদের বিরুদ্ধে কোনো কথা বলতে চাই না। আমি শুধু আজকে বলতে চাই যাঁরা দলকে ভালোবাসেন, দেশের প্রতি মমত্ববোধ আছে, আওয়ামী লীগের মূল স্রোতোধারা এস্কান্দার হায়দার বাবুল ও মো. ইউনুছের নেতৃত্বে যাঁরা আসতে চান, তাঁদের আমরা স্বাগত জানাই। অবশ্য ওবায়দুল কাদের সাহেব যেটা বলেন, সেটাই হবে। এটা ওনার সংসার। উনি যে সিদ্ধান্ত নেবেন, সেটা আমরা মেনে নেব।’

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের কাদের মির্জা ঘোষিত কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. ইউনুছ, সহসভাপতি আবু নাছের ও জামাল উদ্দিন, সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আজিজুল হক, উপজেলা কৃষক লীগের সভাপতি আবদুল আজিজ, পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবুল খায়ের, চরফকিরা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান জামাল উদ্দিন, চরপার্বতী ইউপির চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হোসেন কামরুল প্রমুখ।

গত ৩১ মার্চ নিজের ফেসবুকে কাদের মির্জা দলত্যাগের ঘোষণা দেন। অবশ্য তিনি দলের কোনো পর্যায়ে পদত্যাগপত্র জমা দেওয়ার বিষয়টি এর আগে কখনো নিশ্চিত করেননি। এরই মধ্যে আজ তিনি দলত্যাগের সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের ঘোষণা দিলেন।

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন