খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম বলেছেন, ‘নাগরিক সমাজ মানুষ হত্যায় খালেদা জিয়াকে উৎসাহ জোগাচ্ছে। সন্ত্রাসে ইন্ধন জোগাচ্ছে। এরা সমাজের ক্যানসার। এদের জন্য লজ্জা হয়। এরা নাকি জাতির বিবেক? ছিঃ, ধিক! কিসের মধ্যে আছি আমরা?’

আজ বৃহস্পতিবার সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বাংলাদেশ স্বাধীনতা পরিষদ নামের একটি সংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত মানববন্ধনে খাদ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

নাগরিক সমাজের সমালোচনা করে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, ‘ড. কামাল হোসেন, মাহমুদুর রহমান মান্নারা ষড়যন্ত্রকারী। এক-এগারোর কুশীলব। এরা দেশের এ অবস্থার জন্য অপেক্ষা করে। এক-এগারোর সময় নেপথ্যে থেকে তারা যা করত, এখনো তাই শুরু করেছে। এদের পায়ের তলায় মাটি নেই। এদের নিজেদের দলে গণতন্ত্র নেই।’

কামরুল ইসলাম বলেন, ‘একটু সবুর করুন। আর কদিন যাক। সব শেষ হবে। সবকিছুর শেষ আছে। ভারতের নকশাল আন্দোলন ছিল। সেটাও এক সময় শেষ হয়েছে। বেগম খালেদা জিয়া দেশে যে আগুন জ্বেলেছেন, সেই আগুনে বিএনপি ও খালেদা জিয়া ধ্বংস হয়ে যাবে।’

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যথার্থ কাজ করছে। সন্ত্রাস দমন করতে গেলে কিছু সন্ত্রাসীর প্রাণ যাবেই। অথচ এদের জন্য সুশীল বাবুদের কত মায়াকান্না। এরা বার্ন ইউনিটে যায় না। তাদের নিয়ে কোনো কথা বলে না। কোনো সংলাপ হবে না জানিয়ে তিনি বলেন, পশুর সঙ্গে কোনো সংলাপ নয়। যারা পুলিশ পুড়িয়ে মারে, তাদের সঙ্গে কোনো সংলাপ হতে পারে না।

মানববন্ধনে আরও বক্তব্য দেন, আওয়ামী লীগ নেতা ফয়েজ উদ্দিন মিয়া, হাবিবুর রহমান খান, শাহে আলম মুরাদ, হেদায়েতুল ইসলাম, এম এ করিম, জাকির আহমাদ, হাসিবুর রহমান প্রমুখ।

বিজ্ঞাপন
রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন