খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, পত্রপত্রিকায় এসেছে কারা ঘটনা ঘটিয়েছে। তারা আওয়ামী লীগের ছাত্রসংগঠনের সদস্য। ঘটনা ঘটেছে চাঁদাবাজিকে কেন্দ্র করে। শুধু নিউমার্কেট নয়, ঢাকাসহ সারা দেশের মার্কেটগুলোতে সরকারের ছত্রচ্ছায়ায় সরকারি দলের লোকজন চাঁদাবাজি করছে।

মোশাররফ বলেন, নিউমার্কেটের ব্যবসায়ীরা প্রতিবাদ শুরু করেছেন। তাঁদের প্রতিবাদ দমনের জন্য হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য। তিনি অবিলম্বে এই ঘটনায় দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তার বিএনপির নেতা মকবুল হোসেনের মুক্তি দাবি করেন।

ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকারকে স্বৈরাচার দাবি করে খন্দকার মোশাররফ বলেন, এই সরকার বিনা ভোটে ক্ষমতায় রয়েছে। গত ১৪ বছরে তারা গণতন্ত্র হত্যা করেছে। এই সরকারকে পদত্যাগ করতে হবে। জাতীয় সংসদ বাতিল করতে হবে। নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে একটি সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন দিতে হবে। তাহলেই সংকটের সমাধান হবে।

এ সময় নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে খন্দকার মোশাররফ বলেন, সবাইকে ব্যাপকভাবে রাজপথে নেমে আসতে হবে। এই সরকারকে হটাতে হবে, এর কোনো বিকল্প নেই। গণ-আন্দোলনের মাধ্যমে এই সরকারকে হটাতে হবে।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, আগামী দিন শুধু প্রেসক্লাব নয়, ঢাকার শহরে অন্তত শতাধিক গুরুত্বপূর্ণ সড়ক রয়েছে, যেখানে প্রতিবাদ ছড়িয়ে দিতে হবে। অলিগলি, পাড়ামহল্লায় সব জায়গায় প্রতিবাদের ঝড় তুলতে হবে। না হলে লক্ষ্য অর্জন দুরূহ হবে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় রেখে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয় মন্তব্য করে তিনি বলেন, দল নিরপেক্ষ সরকার না হলে মানুষ ভোট দিতে পারবে না। এই সরকারের অধীনে কোনো প্রহসনের নির্বাচনে বিএনপি অংশ নেবে না।

প্রতিবাদ সমাবেশে অন্যদের মধ্যে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির, বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জয়নুল আবদীন প্রমুখ বক্তব্য দেন।

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন