বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

উপজেলা আওয়ামী লীগ সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচনে জেতার পর চেয়ারম্যানরা নিজেদের নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। দলীয় অনুষ্ঠানে পর্যন্ত অংশ নেন না। এমনকি দলীয় লোকজনসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগের সঙ্গেও সম্পর্ক রাখেন না। এ কারণে ভোটে জেতার পর তাঁরা কী করবেন, তা শপথের মাধ্যমে পাঠ করিয়েই মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া হয়েছে।

শপথবাক্যে বলা হয়, নৌকা প্রতীকের মাধ্যমে নির্বাচিত হলে জনগণের সঙ্গে সম্পর্ক রেখে যাবতীয় উন্নয়নমূলক কাজে নিজেকে নিয়োজিত রাখব। প্রতিদিন ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে উপস্থিত থেকে গরিব মেহনতি মানুষের সেবা করব। আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের যথাযথ মর্যাদা প্রদান ও প্রয়োজনে নেতাদের পরামর্শ গ্রহণ করব। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা পালন করব। এ ছাড়া আওয়ামী লীগের সব দলীয় কর্মসূচিতে হাজির থাকব।

এই শপথবাক্য পাঠ করার পর নৌকার ছয় প্রার্থী সমর্থকদের নিয়ে উপজেলা নির্বাচন কার্যালয়ে গিয়ে মনোনয়নপত্র জমা দেন। তাঁরা হলেন ধুরইল ইউনিয়নে মো. দেলোয়ার হোসেন, ঘাসিগ্রাম ইউনিয়নে বর্তমান চেয়ারম্যান মো. আজাহারুল ইসলাম, রায়ঘাটি ইউনিয়নে মো. বাবলু হোসেন, মৌগাছি ইউনিয়নে বর্তমান চেয়ারম্যান মো. আল আমিন বিশ্বাস, বাকশিমইল ইউনিয়নে অধ্যাপক মো. আবদুল মান্নান, জাহানাবাদ ইউনিয়নে মো. হযরত আলী।

মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় উপস্থিত ছিলেন মোহনপুর উপজেলার আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আবদুস সালাম, সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ মফিজ উদ্দিন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও কেশরহাট পৌরসভার মেয়র শহিদুজ্জামান শহিদ প্রমুখ।

তৃতীয় ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আগামীকাল মঙ্গলবারই মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন। ২৮ নভেম্বর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন