বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আজ শনিবার সকালে তাঁর বাসভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে কাদের এ কথা বলেন।

‘বিএনপির জনসমর্থনের জোয়ারে সরকারের হৃৎকম্প শুরু হয়েছে’, বিএনপি মহাসচিবের এমন বক্তব্যের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘ফখরুল ইসলাম আলমগীর প্রতিদিনই নতুন নতুন তথ্য উপস্থাপন করেন আর মাঝেমধ্যে তাঁর বাক্‌চাতুর্য কল্পনাকেও হার মানায়। এসব সৃজনশীল কথামালার চাতুরীতে ফখরুল ইসলাম আত্মতৃপ্তি বোধ করতে পারেন, কর্মীদের রোষানল থেকে নিজেদের সুরক্ষার জন্য কল্পনার ফানুস ওড়াতে পারেন, কিন্তু বাস্তবের সঙ্গে তাঁদের বক্তব্য যে বিপরীত, তা দেশের মানুষ ঠিকই জানে।’

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেছেন, বিএনপির আন্দোলনের হাতিয়ারে মরিচা ধরে গেছে। বিএনপির কথিত জোয়ার এখন ভাটায় পরিণত হয়েছে। বিএনপির জনসমর্থনের জোয়ার গত ১৩ বছরে কোনো নির্বাচনে দেখা যায়নি উল্লেখ করে সেতুমন্ত্রী বলেন, তারা ভরাডুবির ভয়ে এখন নির্বাচনবিমুখ। তাই রাজপথ আর ভোটের ময়দান ছেড়ে গণমাধ্যম এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় রাজনীতিকে সীমাবদ্ধ করে রেখেছে।

বিএনপির নেতাদের উদ্দেশে কাদের বলেন, ‘শেখ হাসিনা সরকার আর আওয়ামী লীগকে হুমকি-ধমকি দিয়ে লাভ নেই। ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের যে অপচেষ্টা করছেন, তা আমাদের অজানা নেই।’

বিএনপির সবকিছুতেই শর্ত এবং মামার বাড়ির আবদার উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন করলে নাকি তারা নির্বাচনে অংশ নেবে। আসলে বিএনপি ভালো করেই জানে, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিষয়টি একটি মীমাংসিত বিষয়।

তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাতিল কে করেছে, এমন প্রশ্ন রেখে ওবায়দুল কাদের বলেন, উচ্চ আদালতের রায়ের আলোকে তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাতিল হয়েছে, এ পদ্ধতি ছিল একটি অন্তর্বর্তীকালীন ব্যবস্থা। দীর্ঘ মেয়াদে তত্ত্বাবধায়ক সরকার চলতে পারে না।
ওবায়দুল কাদের বলেন, নির্বাচন কমিশন একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান, এ প্রতিষ্ঠানের ওপর সরকারের কোনো হস্তক্ষেপ নেই।

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন