বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বিএনপির মহাসচিব বলেন, আমরা এ সব ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। এ সব সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে ১২ মে ঢাকা মহানগরে এবং ১৪ মে সারা দেশে জেলা পর্যায়ে বিক্ষোভ সমাবেশের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।‌‌

জিয়ার মৃত্যুবার্ষিকীতে ১০ দিনের কর্মসূচি

সংবাদ সম্মেলনে প্রয়াত রাষ্ট্রপতি ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ৪১তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ১০ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। এ সব কর্মসূচির মধ্যে আছে জিয়াউর রহমানের কবরে পুষ্পমাল্য অর্পণ, আলোচনা সভা, সেমিনার, আলোকচিত্র প্রদর্শনী প্রভৃতি। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘আজকে এই মহান নেতা, মহান পথপ্রদর্শক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে স্মরণীয় করে রাখবার জন্য আমরা ২৯ মে থেকে ৭ জুন পর্যন্ত ১০ দিনের কর্মসূচি গ্রহণ করেছি।’

বিএনপির মহাসচিব বলেন, প্রতিটি অঙ্গসংগঠন আলাদা আলাদা করে কর্মসূচি করবে। জিয়াউর রহমান শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে ৩০ মে ঢাকা মহানগর এবং একইভাবে সারা দেশে জেলা পর্যায়ে ত্রাণ বিতরণের কর্মসূচি থাকবে বলে জানান তিনি। এসব কর্মসূচিতে কেন্দ্রীয় নেতারা যাবেন।

এর আগে বিএনপির মহাসচিবের সভাপতিত্বে যৌথ সভা হয়। এতে বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব কবির রিজভী, যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন ও খায়রুল কবির, কেন্দ্রীয় শহীদ উদ্দিন চৌধুরী, এবিএম মোশাররফ হোসেন, তাইফুল ইসলাম, তারিকুল ইসলাম, আবদুস সাত্তার পাটোয়ারি, মহিলা দলের আফরোজা আব্বাস, মহানগর বিএনপির আমিনুল হক, যুবদলের সাইফুল আলম, সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু, স্বেচ্ছাসেবক দলের মোস্তাফিজুর রহমান, আবদুল কাদির ভূঁইয়া জুয়েল, শ্রমিক দলের আনোয়ার হোসেন, মঞ্জরুল ইসলাম মঞ্জু, কৃষক দলের হাসান জাফির তুহিন, ছাত্রদলের কাজী রওনাকুল ইসলাম ও সাইফ মাহমুদ উপস্থিত ছিলেন।

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন