default-image

সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের ছোট ভাই আবদুল কাদের মির্জা বলেছেন, ‘মওদুদ সাহেব মারা গেছেন, আমি তিন দিনের শোক করেছি। শোক পালন করে কি আমার দলের ইজ্জত নষ্ট হয়েছে? আমাকে শোকসভা করতে দেওয়া হয়নি। যারা করতে দেয়নি তাঁদের সম্মানহানি হয়েছে, আমার সম্মানহানি হয়নি।’

আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে এক অনুষ্ঠানে কাদের মির্জা এসব কথা বলেন।

কাদের মির্জা বলেন, ‘যার সংগঠন সে করবে। অসুবিধা কোথায়? মওদুদ সাহেব মারা গেছেন, আমি তিন দিনের শোক করেছি। শোক পালন করে কি আমার দলের ইজ্জত নষ্ট হয়েছে? আমাকে শোকসভা করতে দেওয়া হয়নি। যারা করতে দেয়নি তাদের সম্মানহানি হয়েছে, আমার সম্মানহানি হয়নি। মওদুদ আহমদ মারা গেছেন, ওনার গুনাহর ভাগ বাড়বে না এটাতে। যারা এটা করতে দেয়নি, তারা এটার খেসারত দেবে।’

কাদের মির্জা ওই অনুষ্ঠানে উপস্থিত তাঁর অনুসারীদের উদ্দেশে বলেন, ‘আমার স্পষ্ট বক্তব্য, পরমতসহিষ্ণু রাজনীতি আমাদের করতে হবে। অতীতে ভুলত্রুটি আমাদেরও ছিল। আমরা এটা আর দেখতে চাই না। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসলে বিএনপি-জামায়াত এলাকাছাড়া, মামলা-হামলার শিকার। বিএনপি-জামায়াত ক্ষমতায় আসলে আওয়ামী লীগ এলাকাছাড়া, এটা কি রাজনীতি? আপনাদের প্রতি অনুরোধ, আপনারা সহনশীল থাকবেন।’

আজ বিকেলে স্থানীয় চর কাঁকড়া যুব উন্নয়ন সংস্থা আয়োজিত ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ওই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের শ্রমবিষয়ক সম্পাদক আনিছুর রহমান, উপজেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুজ্জামান শাহীন প্রমুখ।

বিজ্ঞাপন

অনুষ্ঠানে কাদের মির্জা বলেন, ‘আজকে আপনাদের সামনে বলছি, যত অস্ত্রবাজি, যত গুলি, যত কিছু করা হোক না কেন, আবদুল কাদের মির্জা তার সত্যবচন থেকে কখনো দূরে সরে যাবে না।’

গতকাল বুধবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে আওয়ামী লীগ ত্যাগ করার ঘোষণা দেন নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার বসুরহাট পৌরসভার মেয়র কাদের মির্জা। এ নিয়ে টানা তৃতীয়বারের মতো কাদের মির্জা আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন পেয়ে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন।

গত ৩১ ডিসেম্বর পৌরসভা নির্বাচনের ইশতেহার ঘোষণার সময় কাদের মির্জা দলের সাংসদ, সংসদ নির্বাচন এবং নোয়াখালী ও ফেনীর দুই সাংসদের টেন্ডারবাজি, নিয়োগ-বাণিজ্যসহ নানা বিষয়ে বক্তব্য দিয়ে আলোচনায় আসেন। একপর্যায়ে তাঁর কথিত সত্যবচন নিয়ে উপজেলা আওয়ামী লীগে বিভক্তি দেখা দেয়।

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন