বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান সেলিমা রহমান বলেছেন, কার্যালয়ে অবস্থানরতদের রেখে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া খেতে পারেন না। তিনিও পাঁচ দিন ধরে অভুক্ত। কার্যালয়ে খাবার সরবরাহ করা নিয়ে সরকার মিথ্যাচার করছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন।

আজ রোববার দুপুরে খালেদা জিয়ার কার্যালয়ের প্রবেশ ফটকে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন সেলিমা রহমান। পরে প্রথম আলোকে তিনি বলেন, বিএনপির চেয়ারপারসন তাঁর কার্যালয়ে যাঁরা আছেন, তাঁদের রেখে খেতে চাইছেন না। তাঁরা খালেদা জিয়াকে জোর করে ফলের জুস খাওয়াচ্ছেন।

গত ৩ জানুয়ারি রাত থেকে গুলশানে নিজের কার্যালয়ে অবস্থান করছেন খালেদা জিয়া। দলের ভাইস চেয়ারম্যান সেলিমা রহমান, মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক শিরিন সুলতানাও তাঁর সঙ্গে রয়েছেন।

এর আগে আজ পঞ্চম দিনের মতো খালেদা জিয়ার কার্যালয়ে কর্মকর্তা ও নিরাপত্তারক্ষীদের খাবার ভেতরে নিতে বাধা দেয় পুলিশ। খালেদা জিয়ার খাবার আসে তাঁর স্বজনদের বাসা থেকে, এ খাবার ভেতরে নিতে কোনো বাধা দেওয়া হয় না। তবে কার্যালয়ে থাকা অন্য কর্মকর্তাদের খাবার আনা হতো হোটেল থেকে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বেলা সোয়া দুইটার দিকে একটি রিকশায় করে খাবার নিয়ে আসা হলেও পুলিশ তা ফিরিয়ে দেয়। গত বুধবার রাতে প্রথম এ ধরনের বাধা দেওয়া হয়। এরপর আজ পঞ্চম দিনের মতো একই ঘটনা ঘটল। এ ঘটনার নিন্দা জানিয়ে সেলিমা রহমান বলেন, তাঁরা জানতে চান কার নির্দেশে এটি হচ্ছে।

তবে বিএনপির চেয়ারপারসনের প্রেস সচিব মারুফ কামাল খান গতকাল বিবিসিকে বলেন, দোকান থেকে খাবার আনা হয়। কিন্তু চার দিন ধরে কার্যালয়ের ফটকে কর্তব্যরত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা খাবার প্রবেশে বাধা দিচ্ছেন। এর কারণও তাঁরা বলছেন না। এর মধ্যে এক দিন সামান্য কিছু খাবার ঢুকতে দেওয়া হয়েছিল। কিছু শুকনো খাবার সংরক্ষণ করা আছে। যেমন: বিস্কুট, মুড়ি, চানাচুর, চিড়া। খাবার পানিও যদি আসতে না দেয়, তাহলে আজকালের মধ্যে তা-ও শেষ হয়ে যাবে।

বিজ্ঞাপন
রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন