বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞপ্তিতে বেশ কয়েক ব্যক্তির পাঠানো ভিডিওর উপজীব্য তুলে ধরা হয়। তাঁদের একজন বাবু মিয়া। জন্ম থেকে প্রতিবন্ধী বাবু মিয়ার জীবনযাপন ছিল বেশ কষ্টকর। নানির কাছে মাগুরায় বেড়ে ওঠা বাবু এখনো ঠিকমতো কথা বলতে পারেন না। জমি-অর্থ কিছুই নেই তাঁর, বহু কষ্টে তিনি কেনেন একটি স্মার্টফোন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে জানান তাঁর অসহায়ত্বের কথা। এরপর হঠাৎ করেই বাবু পেয়ে যান জমিসহ বাড়ি। প্রচণ্ড ভালোবাসা ও আবেগ নিয়ে তাঁর এই স্বপ্নপূরণের কথা এক ভিডিও বার্তায় জানান বাবু। নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকে শেয়ার করেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্যপ্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ।

এই ধন্যবাদ জানিয়ে ভিডিও করা অপর এক ব্যক্তি নীলফামারীর মনিরুজ্জামান মানিক। উত্তরা ইপিজেড এলাকা থেকে তাঁর পাঠানো ভিডিও মেসেজে তিনি বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, ১৯৯৬ সালে ক্ষমতা গ্রহণের পর আপনি নীলফামারীতে উত্তরা ইপিজেডের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। দুর্ভাগ্যজনকভাবে এর কার্যক্রম থেমে যায়, যখন ২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত ক্ষমতায় আসে। এরপর আবারও ২০০৮ সালের পর আপনি ক্ষমায় আসেন এবং এই প্রকল্পের কার্যক্রম তার গতি ফিরে পায়, যেখানে কাজের সুযোগ তৈরি হয়েছে ৫০ হাজার মানুষের।’

অপর এক ভিডিওতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী বর্ষা চাকমা রাঙামাটি থেকে প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান হেলিকপ্টারের মাধ্যমে দ্রুততম সময়ে প্রান্তিক অঞ্চলগুলোতে টিকা সরবরাহের জন্য।

আওয়ামী লীগ ওয়েব টিমের সমন্বয়ক তন্ময় আহমেদ ‘থ্যাংক ইউ পিএম’ কার্যক্রম প্রসঙ্গে বলেন, অনলাইনে অনেক গুজব ছড়িয়ে পড়ছে। অনেক সময়ে প্রধানমন্ত্রীকে টার্গেট করেও গুজব প্রচার করা হয়। ‘থ্যাংক ইউ পিএম’ তাদের এমন সব অপপ্রচারের মুখে এক চপেটাঘাত।

তন্ময় আহমেদ আরও জানান, কোনো ধরনের সম্পাদনা না করে মূল ভিডিও চিত্রটি পাঠাতে উৎসাহিত করা হয় সবাইকে। তিনি বলেন, ‘মাত্র ১৮ দিনের কাছাকাছি সময়ের মধ্যে সারা দেশ থেকে এক হাজারের বেশি ভিডিও এসেছে আমাদের কাছে। এই ভিডিওগুলো যাচাই-বাছাই শেষে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন উপলক্ষে আওয়ামী লীগের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকে শেয়ার দেব আমরা।’

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন