বিজ্ঞাপন

ছাত্রজীবনেই তিনি রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন। ’৬৬-র ছয় দফা দিয়ে স্বাধীনতার সাঁকো তৈরি করে দিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু। রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন, ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্টের নির্বাচন, শিক্ষা আন্দোলন, ’৬৯-এর গণ-অভ্যুত্থান, ’৭০-এর নির্বাচন, মুক্তিযুদ্ধ—প্রতিটি গণতান্ত্রিক আন্দোলনে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্ব ছিল কিংবদন্তিতুল্য।

শুরুতে দাঁড়িয়ে বক্তব্য শুরু করলেও শারীরিক অসুস্থতার কারণে একপর্যায়ে স্পিকারের অনুমতি নিয়ে বসে বক্তব্য দেন বিরোধীদলীয় নেতা রওশন। তিনি বলেন, বাংলাদেশ নিয়ে বঙ্গবন্ধু যে স্বপ্ন দেখেছিলেন, সে চূড়ান্ত গন্তব্য থেকে দেশ এখনো দূরে।

তবে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দুর্গম গিরি পেরিয়ে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। বড় বড় আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের নজর বাংলাদেশের দিকে। বাংলাদেশ বার্ষিক প্রবৃদ্ধিতে চীন, ভারতকে ছাড়িয়ে গেছে। তবু এখনো লক্ষ্য বহুদূর। বঙ্গবন্ধু চেয়েছিলেন শোষণহীন, বৈষম্যহীন, গণতান্ত্রিক সমাজ। তাঁর আদর্শের আলোকে মাতৃভূমি গড়ে তুলতে হবে।
১৯৭৪ সালে বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে একই বিমানে ভ্রমণের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে রওশন বলেন, বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে সেদিন তাঁর দেখা না হলে অনুভূতি অসমাপ্ত থেকে যেত। তিনি কত বড় মহান ব্যক্তি, তা তুলনা করা যায় না। রওশন বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু বেঁচে থাকলে কত না ভালো হতো। এত কাছ থেকে দেখেছি। আমার অনুভূতি আছে। সেটা ভালোভাবে প্রকাশ করতে পারব না।’

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন