প্রধানমন্ত্রীসহ সরকারের মন্ত্রী, সরকারদলীয় নেতা ও সরকারি কর্মকর্তাদের উসকানিমূলক বক্তব্যের কারণে সারা দেশে সন্ত্রাস, নৈরাজ্য ও গুলি করে মানুষ হত্যা বাড়ছে বলে অভিযোগ করেছে জামায়াতে ইসলামী। গতকাল রোববার এক বিবৃতিতে দলটির ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল শফিকুর রহমান এ অভিযোগ করেন।
বিবৃতিতে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রীসহ একাধিক মন্ত্রী এবং সরকারদলীয় নেতারা সরাসরি গুলির নির্দেশ দিয়েছেন। আন্দোলনকারীদের বংশধর পর্যন্ত ধ্বংস করে দিতে পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছেন ঢাকা অঞ্চলের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) এস এম মাহফুজুল হক নূরুজ্জামান। বগুড়ার পুলিশ সুপার মোজাম্মেল হক ‘বগুড়া সদর উপজেলা যেভাবে পুরুষশূন্য করা হয়েছে, সেভাবে পুরো এলাকা নারীশূন্য করার ঘোষণা দিয়েছেন।’
জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, এসব কোনো সরকারি কর্মকর্তার ভাষা হতে পারে না। এসব বক্তব্য বেআইনি ও উসকানিমূলক। তিনি বিবৃতিতে অভিযোগ করেন, গত শনিবার ঢাকায় ছাত্রশিবিরের সদস্য জসিমউদ্দিনকে আটকের পর গুলি করে হত্যা করেছে পুলিশ। এ ছাড়া কুমিল্লায় জামায়াত-শিবিরের দুই নেতা বেলায়েত মজুমদার ও বেলাল হোসাইন এবং গাইবান্ধায় ছাত্রশিবিরের নেতা আইয়ুব আলীকে আটক করার পর গুলি করে আহত করা হয়েছে। তিনি এর নিন্দা জানান।
পৃথক বিবৃতিতে জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত আমির মকবুল আহমাদ বলেন, রাজধানী ঢাকায় দুই দিন আগে পুলিশ ছাত্রশিবিরের চার নেতা ও কর্মী আম্মার, বায়েজিদ, সজীব ও আবদুল্লাহকে আটক করেছে। কিন্তু গতকাল পর্যন্ত আটকের কথা স্বীকার না করায় তিনি গভীর উদ্বেগ জানিয়েছেন।

বিজ্ঞাপন
রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন