বিদেশে অবস্থানরত ৯০ লাখের বেশি বাংলাদেশি কর্মীকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যন্ত্রে পাঠযোগ্য পাসপোর্ট (এমআরপি) দেওয়া সম্ভব হবে। আজ মঙ্গলবার সংসদে এ কথা বলেছেন প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন। 

এ কে এম রহমতুল্লাহর এ–সম্পর্কিত প্রশ্নের জবাবে খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, আরব আমিরাত, সৌদি আরব ও মালয়েশিয়ায় আউটসোর্সিং ও দূতাবাসের মাধ্যমে সেখানে অবস্থানরত কর্মীদের এমআরপি দেওয়া হচ্ছে। এই কাজকে গতিশীল করতে প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রীর নেতৃত্বে পররাষ্ট্র ও স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সমন্বয়ে একটি উপদেষ্টা কমিটি গঠন করা হয়েছে। আশা করা যায় নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এমআরপি দেওয়া সম্ভব হবে।
আন্তর্জাতিক সিভিল এভিয়েশন অরগানাইজেশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী নভেম্বরের পর থেকে সনাতন পদ্ধতির পাসপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। বিদেশে অবস্থানরত এ ধরনের পাসপোর্টধারী বাংলাদেশির সংখ্যা ৯০ লাখের বেশি।
মোহাম্মদ ইলিয়াসের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, ২০১৪ সালের জানুয়ারি থেকে এ বছরের জানুয়ারি পর্যন্ত বিদেশে পাঠানো কর্মীর সংখ্যা ৪ লাখ ৫৪ হাজার ১৭ জন। তাহজীব আলম সিদ্দিকীর প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, ২০১৪-১৫ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে মালয়েশিয়ায় সরকার টু সরকার প্রক্রিয়ায় ২ হাজার ১১১ জন কর্মী পাঠানো হয়েছে।

২০১৩-১৪-তে পোশাক রপ্তানিতে আয় সাড়ে ২৪ হাজার মিলিয়ন ডলার
এ কে এম শাহজাহান কামালের প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেন, ২০১৩-১৪ অর্থবছরে রপ্তানি খাতে মোট ২ লাখ ৩৪ হাজার ৬১১ কোটি টাকার বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন হয়েছে। অপরদিকে আমদানি খাতে ব্যয় হয়েছে ৩ লাখ ১৬ হাজার ৫৭২ কোটি টাকা।
এম আবদুল লতিফের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ২০১৩-১৪ অর্থবছরে তৈরি পোশাকশিল্প খাতে রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের হার ১০১ দশমিক ৪৩ শতাংশ। এর আগের অর্থবছরে এ হার ছিল ৯৯ দশমিক ৯০ শতাংশ। এ ছাড়া ২০১৩-১৪ অর্থবছরে তৈরি পোশাক রপ্তানি করে আয় হয়েছে ২৪ হাজার ৪৯১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। তার আগের অর্থবছরে এই আয় ছিল ২১ হাজার ৫১৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
এনামুল হকের প্রশ্নের জবাবে খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম বলেন, ২০০৯ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ মোট ১৭ লাখ ৬৮ হাজার ৩৭৫ মেট্রিক টন চাল ও ২৯ হাজার ৪৯ হাজার ৪২৬ মেট্রিক টন গম আমদানি করেছে।

বিজ্ঞাপন
রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন