default-image

ছাত্র, যুব ও শ্রম অধিকার পরিষদের সমন্বয়ক এবং ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক দাবি করেছেন, ‘ভারতীয় অ্যাজেন্ডা’ বাস্তবায়নে প্রশাসনের লোকজন তাঁকে গুম করার চেষ্টা করেছিলেন। গতকাল সোমবার পল্টনের জামান টাওয়ারে আয়োজিত জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

নুরুল হক বলেন, মোদিবিরোধী আন্দোলনের রেশ এখনো কাটেনি। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিরোধিতা করে যাঁরা রাস্তায় নেমেছিলেন, যাঁরা ভিন্নমতাবলম্বী, তাঁদের ওপর ক্র্যাকডাউন করতেই লকডাউন দিয়েছে সরকার। লোকজনকে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন মামলা দিয়ে আটক ও গ্রেপ্তার করছে।

নুরুল হক আরও বলেন, রোববার সন্ধ্যার দিকে তিনি সঙ্গীসহ গুলশান থেকে উবারে বাসায় ফিরছিলেন। এ সময় একটি কালো গাড়ি তাঁদের গাড়িটিকে অনুসরণ করছিল। তাঁরা যখন উত্তর বাড্ডায় পৌঁছান, তখন ওই কালো গাড়িতে থাকা লোকজন তাঁদের গাড়িতে উঠে বসেন এবং সেটি চালিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। তাঁরা চিৎকার–চেঁচামেচি শুরু করলে লোকজন জমে যায়। যাঁরা গুম করতে এসেছিলেন, তাঁরাও ওই সময় পালিয়ে যান। নিরাপত্তার জন্য তাঁরা (নুরুল) একটি দোকানে ঢোকেন। কিছুক্ষণ পর সেখানে পুলিশের দুই–তিনজন লোক আসেন এবং তাঁরা ছাত্র অধিকার পরিষদের নেতা বিন ইয়ামিন মোল্লা, আরেফিন ও শিপন নামে তিনজনকে ধরে নিয়ে যান। মতিঝিলে মোদিবিরোধী মিছিলে অংশ নেওয়ায় বিন ইয়ামিন মোল্লার নামে মামলা হয়েছিল। গ্রেপ্তারের সময় পুলিশ ওই মামলার কথা জানায়।

বিজ্ঞাপন


এদিকে ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হককে গুম করার অপচেষ্টার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে হেফাজতে ইসলাম। সোমবার বিভিন্ন গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ নিন্দা জানানো হয়। বিবৃতি পাঠানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেন সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক আজিজুল হক ইসলামাবাদী।

বিবৃতিতে বলা হয়, ‘ডাকসুর সাবেক ভিপি নুর বর্তমান সময়ে রাজপথের একজন জনপ্রিয় দেশপ্রেমিক সাহসী তরুণ নেতা। নুরকে গুম করার অপচেষ্টা দেশবিরোধী কাজ। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাই।’

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন