সহিংসতা দমনে প্রয়োজনে নাশকতাকারীদের ‘এনকাউন্টারে’ মারার ব্যবস্থা করা হবে বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম। একই সঙ্গে বিএনপি-জামায়াতের সঙ্গে কোনো আলোচনা হবে না বলেও সাফ জানিয়ে দেন তিনি।
গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর গুলশান-২ নম্বর গোলচত্বরে ঢাকা মহানগর উত্তর স্বেচ্ছাসেবক লীগের এক প্রতিবাদ সমাবেশে এ হুঁশিয়ারি দেন শেখ সেলিম।
বিএনপি-জামায়াতকে নাশকতা ও নৈরাজ্য সৃষ্টিকারী মন্তব্য করে শেখ সেলিম বলেন, ‘এই সন্ত্রাসী, জঙ্গিদের ধরে ফেলা হবে এবং প্রয়োজনে এনকাউন্টারে মারার ব্যবস্থা করা হবে। ওসামা বিন লাদেন যখন আমেরিকার টুইন টাওয়ার আক্রমণ করেছে, তখন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশ কি তার সঙ্গে কথা বলেছে?’ সহিংসতায় নিহত ব্যক্তিদের রক্তের ওপর পা রেখে বিএনপি-জামায়াতের সঙ্গে কোনো আলোচনা নয় বলেও জানান ফজলুল করিম সেলিম।
সংলাপের কথা বলে বুদ্ধিজীবীরা সহিংসতাকে উসকে দিচ্ছেন দাবি করে শেখ সেলিম বলেন, ‘সুশীল! সু অর্থ ভালো আর শীল অর্থ নাপিত। আপনাদের দিয়ে রাজনীতি হবে না। আপনারা ভালো কামাতে পারেন।’
স্বেচ্ছাসেবক লীগের ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি মোবাশ্বের চৌধুরীর সভাপতিত্বে প্রতিবাদ সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সভাপতি মোল্লা মোহাম্মদ আবু কাউছার, সাধারণ সম্পাদক পংকজ দেবনাথ প্রমুখ।
জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে গতকাল স্বাধীনতা পরিষদ নামের একটি সংগঠনের মানববন্ধনে খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম বলেছেন, ‘নাগরিক সমাজ মানুষ হত্যায় খালেদা জিয়াকে উৎসাহ জোগাচ্ছে। সন্ত্রাসে ইন্ধন জোগাচ্ছে। এরা সমাজের ক্যানসার। এদের জন্য লজ্জা হয়। এরা নাকি জাতির বিবেক? ছিঃ, ধিক! কিসের মধ্যে আছি আমরা?’ নাগরিক সমাজের সমালোচনা করে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, ‘ড. কামাল হোসেন, মাহমুদুর রহমান মান্নারা ষড়যন্ত্রকারী। এক-এগারোর কুশীলব। এরা দেশের এই অবস্থার জন্য অপেক্ষা করে। এক-এগারোর সময় নেপথ্যে থেকে তারা যা করত, এখনো তাই শুরু করেছে। এদের পায়ের তলায় মাটি নেই। এদের নিজেদের দলে গণতন্ত্র নেই।’

বিজ্ঞাপন
রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন