বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মুরাদ হাসান বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় তারেক রহমান সরকারের ভেতরে আরেকটি সরকার তৈরি করেছিল। দেশের সম্পদ লুটপাট করেছিল। আওয়ামী লীগকে নেতৃত্বশূন্য করতে শেখ হাসিনাকে প্রধান টার্গেট করে ২০০৪ সালে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা চালিয়েছিল। তারেক রহমানের মদদেই সারা দেশে জঙ্গিবাদের উত্থান হয়। জিয়া হত্যায় খালেদা জিয়া জড়িত। এর প্রমাণ হলো, খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে একটিবারের জন্যও জিয়া হত্যার ব্যাপারে কোনো শব্দ করেননি বা বিচার দাবি করেননি। শুধু খালেদা জিয়াই নন, তাঁর পুত্র তারেক রহমানও কোনো দিন বাবার হত্যার বিচার চাননি।

প্রতিমন্ত্রী মুরাদ বলেন, ‘উন্নয়নের ইতিহাস জানতে হলে বঙ্গবন্ধুকে জানতে হবে, উন্নয়নের ইতিহাস জানতে হলে ১৯৭৫ সালের জিডিপির প্রবৃদ্ধির ইতিহাস জানতে হবে। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাসনামলে জিডিপির প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৯ দশমিক ৪, যা এখন পর্যন্ত স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তিতেও আমরা অর্জন করতে পারিনি।’

তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মুরাদ হাসান আরও বলেছেন, ‘জাতির পিতা এ দেশের মানুষের মুক্তির নাম, পাকিস্তানের শোষণ-নিপীড়ন, অত্যাচার-জুলুম থেকে বাংলাদেশের মানুষকে মুক্তি-স্বাধীনতা এনে দিয়েছিলেন তিনি। বঙ্গবন্ধু রক্ত দিয়ে বাঙালি জাতিসত্তার নাম লিখে গেছেন, আমাদের স্বাধীন দেশ, পতাকা, মানচিত্র ও পাসপোর্ট দিয়ে গেছেন।’

মুরাদ হাসান আরও বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি বলা যাবে না। বলতে হবে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি। জাতির জনকের সমগ্র জীবনের লড়াই, সংগ্রাম,ত্যাগ-তিতিক্ষার ইতিহাস আমাদের সবার জানতে হবে। জাতির জনকের ইতিহাস জানতে হলে ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’, ‘আমার দেখা নয়াচীন’, ‘কারাগারের রোজনামচা’—এই তিনটি বই পড়তে হবে।

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কানাডার কুইবেক শাখার সভাপতি মুন্সি বশীর অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। আলোচনা অনুষ্ঠান শেষে উপস্থিত নেতা-কর্মী ও প্রবাসী বাঙালিদের মধ্যে তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’, ‘কারাগারের রোজনামচা’ ও ‘আমার দেখা নয়াচীন’ এই তিনটি বই বিতরণ করেন।

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন