হাছান মাহমুদ বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুকন্যার নেতৃত্বে আজ আমরা ৮ শতাংশ পর্যন্ত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন করতে সক্ষম হয়েছি। যে বছর বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হয় সে বছর ১০ হাজার মেট্রিক টন খাদ্য উৎপাদন হয়েছিল। ঝড়-বন্যা-জলোচ্ছ্বাস হলে খাদ্যঘাটতি দেখা দিতে পারে, সে কারণে খাদ্যে উদ্বৃত্ত হলেও বঙ্গবন্ধু সেটি ঘোষণা করেননি।’

বাংলাদেশ এখন খাদ্যে উদ্বৃত্তের দেশ দাবি করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘১৬ কোটি মানুষের সর্বনিম্ন মাথাপিছু কৃষি জমির দেশ আজ বিশ্বে ধান উৎপাদনে তৃতীয়, সবজি উৎপাদনে তৃতীয়, মিঠাপানির মাছ উৎপাদনে তৃতীয়, আলু উৎপাদনে সপ্তম। এটি কোনো জাদুর কারণে হয়নি। বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার জাদুকরী নেতৃত্বের কারণেই হয়েছে।’

এই উন্নয়ন অগ্রগতি অনেকের সহ্য হয় না মন্তব্য করে হাছান মাহমুদ বলেন, ‘যারা পাকিস্তানের সঙ্গে রাজনীতি করে, যুদ্ধাপরাধীদের সঙ্গে নিয়ে রাজনীতি করে, যুদ্ধাপরাধীদের মন্ত্রিসভায় বসায়, যুদ্ধাপরাধী যারা এই পতাকা চায়নি, তাদের গাড়িতে এই পতাকা লাগিয়ে দেয়, সেটি বিএনপি-জামায়াত এবং এই অগ্রগতি তাদের পছন্দ হয় না।’

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু ষাটের দশকে নয়; বরং পাকিস্তান সৃষ্টির পরপরই উপলব্ধি করেছিলেন যে পাকিস্তান রাষ্ট্রব্যবস্থায় বাঙালিদের মুক্তি নেই। বরং আমাদের ভাষা, সংস্কৃতি, কৃষ্টি, ঐতিহ্য সবকিছু হুমকির সম্মুখীন। তাই ১৯৪৮ সালে পাকিস্তানের স্বাধীনতা দিবস ১৪ আগস্টের আগে ১২ আগস্ট বিবৃতিতে তরুণ শেখ মুজিব পাকিস্তানের প্রথম স্বাধীনতা দিবস ১৪ আগস্টকে শুধু আনন্দ-উল্লাসের নয়; বরং পশ্চিমাদের নাগপাশ থেকে মুক্তির শপথ নেওয়ার দিন হিসেবে পালনের আহ্বান জানিয়েছিলেন।’

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন