বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমি রাষ্ট্রদূতকে জানিয়েছি, বাংলাদেশে যেভাবে গণমাধ্যম কাজ করে অনেক উন্নয়নশীল দেশে এভাবে কাজ করতে পারে না। আমি যুক্তরাজ্যের উদাহরণ দিয়েছি। সেখানে গণমাধ্যমে কোনো ভুল সংবাদ পরিবেশিত হলে, কারও বিরুদ্ধে অসত্য সংবাদ পরিবেশিত হলে, কারও চরিত্র হনন করা হলে যেভাবে গণমাধ্যমকে জরিমানা গুনতে হয়, আমাদের দেশে তেমনটি হয় না।’ বিভিন্ন দেশের গণমাধ্যমের তুলনামূলক চিত্র নিয়েও আলোচনা হয়েছে বলে জানান তথ্যমন্ত্রী।

বাংলাদেশের নিরাপত্তা বাহিনীকে মার্কিন সহায়তা বিশেষ করে সন্ত্রাসবাদ, জঙ্গিবাদ দমনে সহায়তার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সরকারকে ধন্যবাদ জানান হাছান মাহমুদ। তিনি বলেন, ‘ভবিষ্যতে দুদেশের আরও ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের লক্ষ্যে নানাদিক নিয়ে আমরা আলোচনা করেছি। মার্কিন রাষ্ট্রদূতও সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ দমনে বাংলাদেশ যেভাবে কাজ করছে, তার প্রশংসা করেছেন।’

র‌্যাবের কর্মকর্তাদের ওপর যে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে সেটি নিয়েও আলোচনা হয়েছে জানিয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘সেটি একটি দীর্ঘ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে হয়েছে, নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার প্রক্রিয়াও দীর্ঘ, তবে তা নিয়ে আলোচনা চলছে।’

এ সময় রাষ্ট্রদূত পিটার হাস সাংবাদিকদের জানান, বাংলাদেশকে আরও ভালোভাবে জানার জন্য তিনি মন্ত্রিপরিষদের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করছেন। বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের ৫০ বছরের সম্পর্ক দ্রুত আরও ঘনিষ্ঠ হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। মন্ত্রীর দপ্তর ও দূতাবাসের কর্মকর্তাবৃন্দ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

তথ্যমন্ত্রী আজ সন্ধ্যায় শাহবাগে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) আয়োজিত ‘ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস উপলক্ষে আলোচনা’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন।

এ সময় হাছান মাহমুদ বলেন, ‘মুজিবনগর সরকার দেশের প্রথম সরকার; যার রাষ্ট্রপতি ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, উপরাষ্ট্রপতি ছিলেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম ও প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ। বঙ্গবন্ধু পাকিস্তানের কারাগারে বন্দী ছিলেন। তাই উপরাষ্ট্রপতি তখন অস্থায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। এই সরকারের অধীনেই মুক্তিযুদ্ধ পরিচালিত হয়েছে ও তখনকার অন্যান্য চাকুরেদের মতো বিএনপি প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানও এই সরকারের অধীনে চাকরি করেছেন। তাঁর মাসিক বেতন ছিল ৪০০ টাকা।’

বিএসএমএমইউয়ের শহীদ ডা. মিল্টন হলে এ আলোচনা সভা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. শারফুদ্দিন আহমেদ এতে সভাপতিত্ব করেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর সাবেক স্বাস্থ্য উপদেষ্টা ও বাংলাদেশ মেডিকেল রিসার্চ কাউন্সিলের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ মোদাচ্ছের আলী, স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক এম ইকবাল আর্সনাল ও মহাসচিব অধ্যাপক এম এ আজিজ। সংসদ সদস্য সাইমুম সারোয়ার ও চিকিৎসক সংগঠনের প্রতিনিধিবৃন্দ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন