খালেদা জিয়া-অমিত শাহ ফোনালাপ বিতর্কের মধ্যেই ভারত জানিয়ে দিল, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ অবস্থা সামাল দেওয়ার ক্ষেত্রে ভারতের কোনো ভূমিকা এখনো নেই, আগামী দিনেও থাকবে না। বাংলাদেশের সমাজ কী ধরনের হবে, তা সে দেশের সরকার ও জনগণই ঠিক করবে।
অবরুদ্ধ বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে বিজেপির সভাপতি অমিত শাহ ফোন করেছিলেন—এই খবর নিয়ে গত কদিন ধরেই বাংলাদেশের রাজনীতি সরগরম। বিজেপির পক্ষ থেকে খবরটি অসত্য বলা হলেও বিএনপি তাদের দাবিতে অটল। এই অবস্থায় গতকাল সোমবার ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র সৈয়দ আকবরউদ্দিন এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, বাংলাদেশে কী ধরনের সমাজ থাকবে, কোন বিষয় প্রাধান্য পাবে, তা ঠিক করে দেওয়ার কেউ ভারত নয়। বাংলাদেশের সরকার ও সে দেশের জনগণই ঠিক করবে কোন সমাজে কীভাবে তারা থাকবে। নয়াদিল্লিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন সৈয়দ আকবরউদ্দিন।
আকবরউদ্দিনকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশে সম্প্রতি সহিংসতা দেখা দিয়েছে। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশের বিরোধী দলের কোনো কোনো নেতা নাকি ভারতের সাহায্যপ্রার্থী। তাঁরা এ বিষয়ে বিবৃতি দিচ্ছেন। ভারতের সাহায্যও নাকি চাইছেন। তাঁর কাছে জানতে চাওয়া হয়, সেই পরিস্থিতিতে ভারতের কোনো ভূমিকা আছে কি না, কিংবা ভবিষ্যতে ভারত কোনো ভূমিকা পালন করবে কি না।
প্রশ্নের জবাবে আকবরউদ্দিন ভারতের ভূমিকা স্পষ্ট করে জানিয়ে বলেন, বাংলাদেশের মতো এক বন্ধু প্রতিবেশী রাষ্ট্র সম্পর্কে ভারতের মনোভাব ও নীতি অপরিবর্তিত। বাংলাদেশের ভাগ্যনিয়ন্ত্রক যে একমাত্র সেই দেশের সরকার ও জনগণ, তার উল্লেখ করে তিনি বলেন, ভারত সব সময় বাংলাদেশের মঙ্গল চায়। ভারত চায় বাংলাদেশ স্থিতিশীল, শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ থাকুক।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0