বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

তারিক আহমেদ বলেন, প্রতিটি দেশের গণতন্ত্রের জন্যই অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন প্রয়োজন। সে কারণে বাংলাদেশেও স্বচ্ছ ও অবাধ নির্বাচন প্রত্যাশা করে যুক্তরাজ্য।
তারিক আহমেদ আরও বলেন, বাংলাদেশ ইন্ডিয়ান ওশান রিম অ্যাসোসিয়েশনের (আইওআরএ) চেয়ারের দায়িত্ব পেতে চলেছে। যুক্তরাজ্যের প্রত্যাশা, বাংলাদেশ খুব ভালোভাবে এ সংগঠনকে নেতৃত্ব দিয়ে এগিয়ে নিয়ে যাবে।

একই অনুষ্ঠানে বক্তৃতা দিতে গিয়ে পররাষ্ট্রসচিব মাসুদ বিন মোমেন বলেন, যুক্তরাজ্য বাংলাদেশের অন্যতম উন্নয়ন সহযোগী। বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫০ বছরে দুই দেশের সম্পর্কে আরও অগ্রগতি হবে। যুক্তরাজ্য ভ্রমণের রেড লিস্ট থেকে বাংলাদেশকে বাদ দেওয়ায় দেশটিকে ধন্যবাদ জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক যুক্তরাজ্য সফর প্রসঙ্গ টেনে পররাষ্ট্রসচিব বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা লন্ডন সফরে বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য সম্পর্ক নতুন করে ঢেলে সাজানোর ওপর জোর দিয়েছেন। তিনি বোঝাতে চেয়েছেন যে দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক অত্যন্ত ভালো হলেও প্রথাগত দৃষ্টিভঙ্গি থেকে দেখার বিষয়টি পরিবর্তন করা প্রয়োজন।
মাসুদ বিন মোমেন বলেন, ১৯৭১ সালে দক্ষিণ এশিয়ায় পরিবর্তনের সূচনা করেছিল বাংলাদেশ। ৫০ বছর পর একই কাজ আবার করছে। এই অঞ্চলে জরুরি ভিত্তিতে স্থিতিশীলতা ও সংযুক্তির সেবা প্রদানে দক্ষিণ এশিয়ায় একটি নতুন আখ্যানের সূচনা করছে বাংলাদেশ।

এদিকে তারিক আহমেদ বলেন, ‘আমরা বাংলাদেশের সঙ্গে অংশীদারত্বকে গুরুত্ব দিই। আগেও আমরা বন্ধু ছিলাম ও ভবিষ্যতেও থাকব। ১৯৭১ সালের স্বাধীনতাযুদ্ধে আমরা বাংলাদেশকে সমর্থন দিয়েছিলাম এবং এখনো উন্নয়নযাত্রায় সঙ্গে আছি। গত ৫০ বছরে সম্পর্ক কেমন ছিল সেটি নয়, বরং আগামী ৫০ বছরে সম্পর্কে কী রূপান্তর হয়, সেটি চিন্তা করতে হবে।’

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন