বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আওয়ামী লীগ সরকারের পতন আসন্ন উল্লেখ করে নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক বলেন, ‘সরকারের পতনের ঘণ্টা বাজছে। কেউ পতনের ঘণ্টা শুনছে, কেউ শুনতে পারছে না। আমরা ক্ষমতায় এলে শিক্ষা সর্বজনীন করব। রাষ্ট্র সব ধরনের শিক্ষার দায়িত্ব নেবে। সরকার পতনের পর কে আসবে, আমরা তা জানি না। কিন্তু যে আসবে, তার চোখে সেই স্বপ্ন বুনে দিতে চাই।’

মাহমুদুর রহমান মান্না আরও বলেন, ‘সারা বিশ্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের মাধ্যমে সব গবেষণা পরিচালিত হয়ে থাকে। বড় ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলো বিশ্ববিদ্যালয়ের মাধ্যমে গবেষণা ফল নেয়। তারা গবেষণা থেকে টাকা উপার্জন করে। আর আমাদের হয় উল্টো।

প্রধানমন্ত্রী শুধু বক্তব্য দিয়ে যান, “আমরা টিকা উৎপাদন করব।” কখন টিকা উৎপাদিত হবে, ভাইরাস শেষ হওয়ার পর। গবেষণা করে আমাদের যে টাকা উপার্জন হবে, তা দিয়ে পুরো শিক্ষা খাত পরিচালনা করা সম্ভব। যদি আমরা গবেষণার মাধ্যমে টিকা তৈরি করতে পারতাম, তাহলে কত টাকার বাণিজ্য আমাদের হতো। আমাদের এমন শিক্ষাব্যবস্থা চালু করতে হবে, যা জাতীয় উন্নয়নে অবদান রাখতে পারবে।’

সম্মেলনের উদ্বোধন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য আনোয়ারউল্লাহ চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগে দলীয়করণ দেখে দেশের অন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর অবস্থা বোঝা যায়। ইতিহাস বলে, ফ্যাসিবাদীদের পতন আন্দোলনের মাধ্যমে হয় না। আমাদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।’

সম্মেলনে প্রধান বক্তার বক্তব্যে বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘সত্যিকার অর্থে বিএনপিকে ভোট দেবে, যদি সুষ্ঠু নির্বাচন হয়, গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হয়। সবার অংশগ্রহণের মাধ্যমে একটা স্বচ্ছ ভোট হয়। সেই ভোটের মালিক, রাষ্ট্রের মালিক জনগণ। তারা ভোট দেবে। আপনারা তো জোর করে ডাকাতের মতো ক্ষমতায় আছেন।’

সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন শিক্ষক কর্মচারী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান সেলিম ভূঁইয়া। সম্মেলনে বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির বিভাগ, জেলা ও বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন