বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সেতুমন্ত্রী বলেন, জেল-জুলুম-নির্যাতনের মধ্য দিয়ে গড়ে ওঠা, জনগণের দাবি আদায়ের সাহসী সংগঠন আওয়ামী লীগ। অতীতেও দেশবাসী বিএনপির দফাভিত্তিক আন্দোলন দেখেছে। তাদের আন্দোলন রাজপথে নয়, তাদের আন্দোলন হচ্ছে ফেসবুক আর মিডিয়ানির্ভর।

বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য দলটির গণ-আন্দোলনের হুমকি বিষয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, তাদের এসব হুমকি-ধমকি নিজেদের পদ-পদবি টিকিয়ে রাখার চেষ্টা ছাড়া আর কিছু নয়।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, বিএনপি নেতারা তাঁদের আন্দোলনের সক্ষমতা সম্পর্কে ভালোই জানেন। তবুও তাঁরা কর্মী-সমর্থকদের রোষানল থেকে বাঁচতে গণমাধ্যমে ‘লিপ-সার্ভিস’ দিয়ে যাচ্ছেন অবিরাম।

সেতুমন্ত্রী বলেন, বিএনপি নেতারা এক যুগের বেশি সময় ধরে নানা ইস্যুতে আন্দোলন আর সরকার পতনের হুমকি দিয়ে আসছেন। প্রকৃতপক্ষে এসব হুমকি সরকার ও জনগণের মনে কোনোরূপ আগ্রহ বা উদ্বেগ সৃষ্টি করতে পারেনি। কারণ জনগণ বুঝে গেছে, বিএনপি যত কথাই বলুক, আন্দোলন করতে পারবে না।

সড়ক পরিবহনমন্ত্রী বলেন, শেখ হাসিনা সরকার বিএনপির হাতে কখনো ইস্যু তুলে দেবে না। তাই জনগণের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট যেকোনো ইস্যুতে সরকার সব সময়ই সক্রিয় ও তৎপর।

ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দলের সব পর্যায়ের নেতা-কর্মীদের আবার দলীয় শৃঙ্খলা বজায় রাখার আহ্বান জানান ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, দলের মনোনয়নকে উপেক্ষা করে যাঁরা বিদ্রোহ করছেন বা বিদ্রোহীদের উসকানি দিচ্ছেন, তাঁদের ব্যাপারে বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদকদের তালিকা করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, যারা সাংগঠনিক শৃঙ্খলাবিরোধী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হবে, দলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কাজ করবে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন