বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মন্ত্রী চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় আজ রোববার সন্ধ্যায় উপজেলা আওয়ামী লীগের বিশেষ বর্ধিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, তাদের মাঝে ‘ঐক্য প্রক্রিয়া’ নামে আবার কিছু কিছু প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। সমগ্র বিশ্ব নেতারা আজ শেখ হাসিনার প্রশংসায় পঞ্চমুখ। জাতিসংঘ প্রধানমন্ত্রীকে পুরস্কৃত করেছে। আর বিএনপি নেতারা বলছেন, ভিন্ন কথা। কারণ, তাঁরা আওয়ামী লীগের সাফল্য, শেখ হাসিনার সাফল্য দেখেও দেখেন না। চোখ থাকতে অন্ধ, কান থাকতেও বধির। তাঁরা শুনেও শোনেন না, বুঝেও বোঝেন না, দেখেও দেখেন না—বিএনপির অবস্থা হচ্ছে সে রকম।

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘বিএনপির প্রতিদিনের বাগাড়ম্বর জনগণ শুনতে শুনতে কান ঝালাপালা হয়ে গেছে। খালি কলসি যেমন বেশি বাজে, বিএনপিও ঠিক সে রকম বাজে। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাহেব বাজে, কদিন বিরতি দিয়ে এখন রিজভী সাহেব বাজে, গয়েশ্বর বাবু তালে বেতালে বাজে। এ নিয়ে জনগণের মধ্যে হাস্যরসের সৃষ্টি হয়েছে।’

মন্ত্রী বলেন, ‘আওয়ামী লীগ হচ্ছে তৃণমূলের সংগঠন। তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা হচ্ছেন আওয়ামী লীগের প্রাণ। সংগঠন এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনার কারণেই আজ আমরা পরপর তিনবার রাষ্ট্রক্ষমতায়। আমাদের সংগঠন দেশব্যাপী তৃণমূলে বিস্তৃত। ক্ষমতায় থাকার কারণে কোনো কোনো জায়গায় কোনো কোনো ক্ষেত্রে অনেকের মধ্যে আলস্য এসেছে। এই আলস্য ঝেড়ে ফেলতে হবে।’ তিনি বলেন, ‘নির্বাচন খুব বেশি দিন বাকি নেই। দুই বছরের একটু বেশি সময় পরই বাংলাদেশে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সেই নির্বাচনে আমরা যদি সাংগঠনিক পুরো শক্তি দিয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করি, তাহলে ২০১৮ সালের মতোই ধস নামানো বিজয় ইনশা আল্লাহ আমাদের হবে।’

হাছান মাহমুদ বলেন, শেখ হাসিনা আজ সমগ্র পৃথিবীর সামনে একটা উদাহরণ। তাঁর নেতৃত্ব বিশ্বব্যাপী প্রশংসিত। জাতিসংঘের মহাসচিব তাঁর নেতৃত্বের প্রশংসা করছেন। পৃথিবীর বিভিন্ন রাষ্ট্রের সরকারপ্রধানরা বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বের প্রশংসা করছেন। তাঁরা বিশেষ আমন্ত্রণ জানিয়ে বঙ্গবন্ধুকন্যাকে জাতিসংঘে নিয়ে গেছেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে করোনা মহামারির মধ্যেও বাংলাদেশ যেভাবে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে, যেভাবে করোনাকে বাংলাদেশ মোকাবিলা করেছে, সেই সাফল্যগাথাটা বিশ্বনেতারা শেখ হাসিনার মুখ থেকে শুনতে চেয়েছিলেন। যাতে অন্য দেশগুলো এই সাফল্যের পরিপ্রেক্ষিতে নিজেদের কার্যক্রম গ্রহণ করতে পারে, অনুকরণ ও অনুসরণ করতে পারে।

উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি আবদুল মোনাফ সিকদারের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার শামসুল আলম তালুকদারের পরিচালনায় বিশেষ বর্ধিত সভায় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগ নেতা জহির আহমদ চৌধুরী, উপজেলা চেয়ারম্যান স্বজন কুমার তালুকদার, আবুল কাশেম চিশতি, মেয়র শাহজাহান সিকদার, কামরুল ইসলাম চৌধুরী, নজরুল ইসলাম তালুকদার, ইদ্রিছ আজগর, মুহাম্মদ আলী শাহ, ইফতেখার হোসেন বাবুল, শফিকুল ইসলাম, আকতার হোসেন খান, গিয়াস উদ্দিন খান প্রমুখ।

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন