বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াও ‘চোরাপথে ক্ষমতায় এসেছেন’ বলে দাবি করেন তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ। তিনি বলেন, বিএনপি গণতন্ত্রের মাধ্যমে, নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় যাওয়া বিশ্বাস করে না; সব সময় চোরাপথ খুঁজে বেড়ায়। জনগণের ওপর তাদের কোনো আস্থা নেই। সে জন্যই তারা এই নির্বাচন কমিশন গঠনপ্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। তারা দেশে এমন একটি পরিস্থিতি তৈরির অপচেষ্টা চালাচ্ছে, যাতে চোরাপথে ক্ষমতায় যেতে পারে, সেটি কখনো হবে না।

তথ্যমন্ত্রী আরও বলেন, গতবারও সংলাপের মাধ্যমে একটি ‘অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন কমিশন’ গঠন করা হয়েছিল। সেখানে এমন একজন নির্বাচন কমিশনার স্থান পেয়েছিলেন, যিনি সব সময় বিরোধী দলের পক্ষ হয়ে কথা বলেন। সুতরাং, সংলাপের মাধ্যমে নির্বাচন কমিশন গঠন যে কার্যকর, সেটি গতবারও প্রমাণিত হয়েছে। সংলাপে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল তাদের মতামত দিচ্ছে এবং রাষ্ট্রপতি বিচার-বিশ্লেষণ করে দেশের সংবিধান অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। দেশের সংবিধানের ব্যত্যয় ঘটিয়ে কোনো কিছু করার সুযোগ নেই।

এর আগে চলচ্চিত্র পরিচালকদের সঙ্গে নিয়ে এফডিসি প্রাঙ্গণে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান তথ্যমন্ত্রী। পরে জাতীয় পতাকা উত্তোলন এবং পায়রা ও বেলুন উড়িয়ে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন তিনি। এ ছাড়া প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দিনব্যাপী বিনা মূল্যে চিকিৎসা ক্যাম্পের উদ্বোধন করেন হাছান মাহমুদ।

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির চার দশক পূর্তি উপলক্ষে সমিতির সব সদস্যকে অভিনন্দন জানান তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ। তিনি বলেন, ‘এ দেশে অনেক প্রতিভাবান চলচ্চিত্র পরিচালক রয়েছেন। আমি তাঁদের দেশ ও সমাজগঠনে সক্রিয় ভূমিকা রাখতে পারে, এমন চলচ্চিত্র নির্মাণের আহ্বান জানাই।’

তথ্যমন্ত্রী বলেন, চলচ্চিত্রশিল্পের পুনর্জীবনের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চলচ্চিত্র শিল্পী কল্যাণ ট্রাস্ট গঠন এবং প্রেক্ষাগৃহ নির্মাণের জন্য সহজতম ঋণ চালু করেছেন। এ ছাড়া এককভাবে বা বিপণিকেন্দ্রে সিনেমা হল নির্মাণের জন্য ১০ কোটি টাকা পর্যন্ত ঋণসুবিধা চালু হয়েছে, যাতে উদ্যোক্তারা বিনিয়োগে আগ্রহী হন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির সভাপতি সোহানুর রহমান সোহান। সমিতির মহাসচিব শাহীন সুমনের পরিচালনায় এফডিসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক নুজহাত ইয়াসমিন, পরিচালক সমিতির সাবেক সভাপতি মুশফিকুর রহমান গুলজার, সহসভাপতি ছটকু আহমেদ, সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া সম্পাদক শাহীন কবির টুটুল প্রমুখ বক্তব্য দেন।

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন