বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বিএনপির ঊর্ধ্বতন নেতাদের ওপর ‘জনগণের কোনো আস্থা নেই’ বিধায় সংলাপ নিয়ে তাঁরা এ ধরনের বক্তব্য দিচ্ছেন বলে দাবি করেন হাছান মাহমুদ। নির্বাচন নিয়ে বিএনপি নেতারা অবান্তর কথা বলছেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘তারা যে জনগণ থেকে অনেক দূরে সরে গেছে এবং নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় যেতে পারবে না, সেটি তারা জানে। তাই এখন বিএনপি চোরাগলির পথ খুঁজছে, কীভাবে ক্ষমতায় যাওয়া যায়। কিন্তু চোরাগলির পথ দিয়ে ক্ষমতায় যাওয়ার দিন বাংলাদেশে শেষ হয়ে গেছে।’

সম্প্রতি কয়েকটি ছোট রাজনৈতিক দল সংসদ নির্বাচনের সময় দেশ পরিচালনার জন্য জাতীয় সরকার গঠনের যে প্রস্তাব দিয়েছে, তা নাকচ করে দেন তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ। এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, রাজনীতিতে পরিত্যক্তদের পুনর্বাসনের জন্য বিশেষ ধরনের সরকার গঠনের কোনো প্রয়োজন বা সুযোগ, কোনোটাই নেই।

বিএনপির সঙ্গে জোটবদ্ধ কিছু কিছু রাজনৈতিক দলের নেতা, যাঁরা জাতীয় সরকারের প্রস্তাব দিচ্ছেন, তাঁরা সবাই পরিত্যক্ত রাজনীতিবিদ। তাঁরা একসময় অনেক প্রভাবশালী রাজনীতিবিদ ছিলেন, কিন্তু এখন রাজনীতিতে তাঁরা পরিত্যক্ত। রাজনীতিতে পরিত্যক্তরা তাঁদের পুনর্বাসনের লক্ষ্যে এ ধরনের প্রস্তাব দিচ্ছেন। সংবিধান অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বর্তমান সরকার নির্বাচনকালীন দায়িত্ব পালন করবে। এর বাইরে কোনো সুযোগ নেই।

গতকাল সোমবার পাবনায় বিএনপির সমাবেশে নিজেদের মধ্যে সংঘর্ষ এবং সেখানে যুবদলের একজন নেতা ছুরিকাহত হন। সেই সমাবেশেই বিএনপির নেতারা অভিযোগ করেন, সরকার বিএনপিকে ধ্বংস করার পাঁয়তারা করছে। এ নিয়ে প্রশ্নের জবাবে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপিকে দুর্বল করার জন্য অন্য কারও প্রয়োজন নেই, তারা নিজেরাই নিজেদের দুর্বল করে দিচ্ছে, তাদের এই মারামারিগুলোই তার বহিঃপ্রকাশ।

বিএনপি যেখানেই সমাবেশ করছে, সেখানেই নিজেরা মারামারি করে নিজেদের সমাবেশ পণ্ড করে দিচ্ছে। এ ধরনের ঘটনা শুধু পাবনাতে নয়, সারা দেশেই ঘটছে। তবে ফেনীতে তারা কী কারণে সমাবেশ স্থগিত করেছে জানি না, যদি জয়নাল হাজারীর মৃত্যুতে সমাবেশ স্থগিত করে থাকে, সে জন্য তাদের ধন্যবাদ জানাই।’

এর আগে বাসভবন থেকে অনলাইনে নিজ নির্বাচনী এলাকা রাঙ্গুনিয়ায় মন্ত্রীর পারিবারিক দাতব্য সংস্থা এনএনকে ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে শীতবস্ত্র বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন হাছান মাহমুদ।

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন