default-image

আন্দোলনের নামে বাংলাদেশে চোরাগোপ্তা হামলা চালিয়ে মানুষ হত্যার অভিযোগ করে বিএনপি-জামায়াতকে কালো তালিকাভুক্ত করার দাবি জানানো হয়েছে। আজ মঙ্গলবার দুপুরে ব্রিটিশ পার্লামেন্টের সামনে এক বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে ব্রিটিশ সরকারের প্রতি এ দাবি জানায় যুক্তরাজ্যের কয়েকটি বাংলাদেশি সংগঠনের সমন্বয়ে গঠিত সর্বদলীয় জোট।
বাংলাদেশে চলমান সহিংসতা ও হরতাল–অবরোধের বিরুদ্ধে এ জোট গঠিত হয়েছে। আওয়ামী লীগ, বাসদ, জাসদ, ওয়ার্কার্স পার্টি, কমিউনিস্ট পার্টি ও উদীচীসহ সমমনা বিভিন্ন দলের যুক্তরাজ্য শাখার নেতা–কর্মীরা এই বিক্ষোভ সমাবেশে অংশ নেন।
জোটের মুখপাত্র যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ সাজিদুর রহমানের পরিচালনায় বিক্ষোভ সমাবেশে উপস্থিত হয়ে কয়েকজন ব্রিটিশ পার্লামেন্ট সদস্য সহিংসতার বিরুদ্ধে তাঁদের অবস্থান তুলে ধরেন। তাঁরা হলেন স্টিফেন টিমস, গর্ডন ব্রিস্টউচল, জেসিকা মর্ডান, স্যার জন এলান প্রমুখ।

এদিকে মঙ্গলবার যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরনের কাছে হস্তান্তর করা এক চিঠিতে জোটের পক্ষ থেকে বলা হয়, গত বছরের নির্বাচন বর্জনের পর বিএনপি এবং জামায়াত জোট সহিংসতা চালিয়ে জোরপূর্বক সরকারকে টেনে নামাতে চাইছে। গত ৫ জানুয়ারি থেকে টানা হরতাল-অবরোধে পেট্রলবোমা মেরে মানুষ হত্যার ঘটনায় মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ সেক্যুলার গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ জিহাদি ইসলামিস্টদের দখলে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে।
চিঠিতে চলমান সহিংসতায় মানুষ হত্যা, গাড়ি পোড়ানো ও গাড়ি ভাঙচুরের পরিসংখ্যান তুলে ধরে বলা হয়, লন্ডনে অবস্থানরত বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে এসব ধ্বংসযজ্ঞ চালানো হচ্ছে। যুক্তরাজ্যে সেইভ বাংলাদেশসহ জামায়াতে ইসলামীর কিছু অঙ্গসংগঠন বাংলাদেশ সম্পর্কে অপপ্রচার চালাচ্ছে উল্লেখ করে চিঠিতে আরও বলা হয়, দুর্ভাগ্যজনকভাবে কিছু ব্রিটিশ পার্লামেন্ট সদস্য এসব সংগঠনের অপপ্রচারে কান দিচ্ছেন এবং আদর্শগতভাবে আল–কায়দা এবং আইএসের ঘনিষ্ঠ এমন ইসলামিস্টদের প্ল্যাটফর্ম করে দিচ্ছেন। চিঠিতে বিএনপি-জামায়াতসহ সেইভ বাংলাদেশের মতো সংগঠনকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে কালো তালিকাভুক্ত করার পাশাপাশি ব্রিটেনে সংগঠনগুলোর কার্যক্রম নজরদারির জন্য ডেভিড ক্যামেরনের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।

বিজ্ঞাপন
রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন