আজ শনিবার (৯ এপ্রিল) চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলায় ‘দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়া’ থানা নামে নতুন থানার উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তথ্যমন্ত্রী। এ সময় চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার এস এম রশিদুল হকসহ পুলিশের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, খালেদা জিয়ার প্রতি যথাযথ সম্মান রেখেই বলতে চাই, ‘তিনি মুক্তিযুদ্ধের ৯ মাস পাকিস্তানিদের আতিথেয়তায় ছিলেন। তিনি পাকিস্তানিদের ক্যান্টনমেন্টে ছিলেন। হঠাৎ করে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আবিষ্কার করলেন, খালেদা জিয়া নাকি নারী মুক্তিযোদ্ধা। মুক্তিযোদ্ধার সংজ্ঞাটা কী, তাঁর কাছে আমি জানতে চাই।’ তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সরকারের ভিত জনগণের হাতে। এখানে কাউকে বিদেশিরা ক্ষমতায় বসিয়ে দেবে না। আমরা জনগণের ক্ষমতায় বলীয়ান, আমরা জনগণের ক্ষমতায় বিশ্বাস করি।’

রাঙ্গুনিয়ায় নতুন থানা উদ্বোধন সম্পর্কে তথ্যমন্ত্রী বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী প্রায় দুই বছর আগে, এখানে থানা স্থাপন করার সিদ্ধান্ত দিয়েছেন। প্রশাসনিক অন্য ধাপগুলো অতিক্রম করে অবশেষে থানার কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়া কর্ণফুলী নদী দ্বারা রাঙ্গুনিয়ার অন্য অংশের থেকে পৃথক। এখানে রাঙ্গুনিয়া থানা থেকে এসে সেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে অনেক সময় অনেক প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি হতো, আসামিরা এই পাহাড়ি এলাকায় পালিয়ে যেত। সে কারণেই এখানে থানা স্থাপন করা অত্যন্ত দরকার ছিল, মানুষেরও দাবি ছিল। জনগণের দোরগোড়ায় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বের সরকার জনগণের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দেয়ার লক্ষ্যে যে কাজ করছে, সেটারই প্রমাণ হচ্ছে এই দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়া থানা স্থাপন।

default-image

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের পুলিশ বাহিনী অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে কাজ করছে। এ জনবহুল দেশে আমাদের পুলিশ বাহিনী যেভাবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করার ক্ষেত্রে কাজ করছে, তা সত্যিই প্রশংসনীয়। আজ এ করোনাকালেও পুলিশের সদস্যরা যেভাবে মানুষের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন, করোনাকালে বহু পুলিশ সদস্য মৃত্যুবরণ করেছেন, আমি তাঁদের আত্মার শান্তি কামনা করি। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, এই এলাকায় আইনশৃঙ্খলা উন্নয়ন করার ক্ষেত্রে এই দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়া থানা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।’

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন