বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

হাছান মাহমুদ বলেন, ‘১ অক্টোবর থেকে আমরা সারা দেশে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করব। কোনো বিদেশি চ্যানেলে ক্লিনফিড দেখানো না হলে এবং মন্ত্রণালয়, টেলিভিশন ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন ও কেব্‌ল অপারেটর ত্রিপক্ষীয় বৈঠকের মাধ্যমে কেব্‌ল লাইনে সম্প্রচারের জন্য টেলিভিশন চ্যানেলগুলোর নির্ধারিত ক্রমের ব্যত্যয় হলে বা কোনো কেব্‌ল অপারেটর আইন ভঙ্গ করে নিজেরা বিজ্ঞাপন বা অনুষ্ঠান প্রদর্শন করলে বা আইনের অন্য কোনো ব্যত্যয় ঘটালে সংশ্লিষ্ট চ্যানেল ডাউনলিংকের অনুমতিপ্রাপ্ত ডিস্ট্রিবিউটরদের এবং কেব্‌ল অপারেটরদের ওপরই আইন ভঙ্গের দায় বর্তাবে। আগামীকাল থেকে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

তথ্যমন্ত্রী জানান, ‘যারা বিদেশি চ্যানেল ডাউনলিংকের অনুমতি পেয়েছে, ক্লিনফিডের ব্যাপারে তাদের সঙ্গে আগস্ট মাসে বৈঠক করে আমরা জানিয়ে দিয়েছিলাম, ‘১ অক্টোবর থেকে আমরা আইন প্রয়োগ করব। দিনের পর দিন তারা সময় নেবে, কালক্ষেপণ করবে, এটি হয় না। ভারত, শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান, নেপালসহ বিশ্বের অন্যান্য দেশে ক্লিনফিড ছাড়া বিদেশি চ্যানেল কেউ দেখাতে পারেন না। আর আমাদের দেশে বিদেশি চ্যানেলগুলো ক্লিনফিড পাঠাচ্ছে না, এই অজুহাতে এখানে ক্লিনফিড চালাবে না, এটা হয় না।’

১ অক্টোবর থেকে বাংলাদেশে ক্লিনফিড সম্প্রচার কার্যকর করার বিষয়টি সম্প্রতি দিল্লি সফরকালে ভারতের তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রীকেও জানিয়েছেন বলে উল্লেখ করেন হাছান মাহমুদ। সম্প্রতি সরকারি এবং নিবন্ধিত অনেক অনলাইন পোর্টাল বিটিআরসি সাময়িকভাবে বন্ধ করে দিয়েছিল, এ সম্পর্কে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘একটা ভুল বোঝাবুঝি হয়েছিল এবং সেটি খুব দ্রুততার সঙ্গে নিরসন হয়েছে। অনলাইন পোর্টাল বন্ধ করা এবং অনুমোদন দেওয়া দুটিই চলমান প্রক্রিয়া। যে অনলাইন পোর্টালগুলো গর্হিত কাজ করে কিংবা সৎ উদ্দেশ্যে পরিচালিত নয় কিংবা গুজব রটায়, সেগুলো বন্ধ করা চলমান প্রক্রিয়া। এর অংশ হিসেবে আমরা শিগগিরই বিটিআরসিকে তালিকা দেব। সেই সঙ্গে আদালতকেও আমরা জানাব, এটা একটি চলমান প্রক্রিয়া এবং সবকটি একসঙ্গে বন্ধ করে দেওয়া কতটা যুক্তিযুক্ত হবে তা ভাবার প্রয়োজন রয়েছে।’

তথ্যমন্ত্রী এর আগে কবি ও সাংবাদিক সৌমিত্র দেব সম্পাদিত ‘উন্নয়নে উজ্জীবনে শেখ হাসিনা’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করেন। এ সময় মন্ত্রী গ্রন্থটি সংকলন ও সম্পাদনার জন্য সৌমিত্র দেবকে অভিনন্দন জানান।

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন