বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘নির্বাচনের আর দুই বছরের কম সময় বাকি। এই নির্বাচনে আমাদের প্রচারের একটি বড় মাধ্যম হচ্ছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম। আপনারা দেখছেন, আমাদের বিরুদ্ধাচারীরা, দেশের বিরুদ্ধাচারীরা দেশের বিরুদ্ধে যত ধরনের ষড়যন্ত্র, অপপ্রচার চালাচ্ছে, তার একটি বড় প্ল্যাটফর্ম হিসেবে সোশ্যাল মিডিয়াকে বেছে নিয়েছে। তারা বিদেশে বসে অপপ্রচার চালায়, বিভ্রান্তি ছড়ায়, গুজব রটায়।’

‘তারা যেসব দেশে বসে এগুলো করে, সেসব দেশে আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ আছেন, কমিটিও আছে কিন্তু অপপ্রচারের বিরুদ্ধে যে পরিমাণ সোচ্চার হওয়া প্রয়োজন, অনেক ক্ষেত্রে তা পাওয়া যাচ্ছে না’ বলে উল্লেখ করেন হাছান মাহমুদ। তিনি বলেন, নানাভাবে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া যায়। সোশ্যাল মিডিয়ায় অপপ্রচার চালালে সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমেই ব্যবস্থা নেওয়া যায়, যে দেশে বসে অন্য দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেছে, সেই দেশের আইন অনুযায়ীও ব্যবস্থা নেওয়া যায়। কিন্তু এটি সব ক্ষেত্রে হচ্ছে না।

হাছান মাহমুদ বলেন, ‘আওয়ামী লীগের আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদকসহ আমরা দলের পক্ষ থেকে এখন দেখব, যে দেশে বসে আমাদের দেশের বিরুদ্ধে যারা অপপ্রচার চালাচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে সেই দেশে আওয়ামী লীগ নেতারা কী ব্যবস্থা নিচ্ছেন। সেটির ভিত্তিতে মূল্যায়ন হবে। সুতরাং এ কাজটি করার জন্য অনুরোধ জানাই।’

নারায়ণগঞ্জে আগামীকালের সিটি করপোরেশন নির্বাচন প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘নারায়ণগঞ্জে মানুষের মাঝে নির্বাচন নিয়ে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা রয়েছে এবং তা বজায় রেখে স্বচ্ছ, সুন্দর নির্বাচনের জন্য নির্বাচন কমিশন যেভাবে শক্ত হাতে কাজ করছে, তাতে নির্বাচনে জনগণের রায়ই প্রতিফলিত হবে। আশা করি সেই রায়ে আওয়ামী লীগের প্রার্থী সেলিনা হায়াৎ আইভী বিপুল ভোটে জয়লাভ করবেন।’

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন