বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মির্জা আব্বাস বলেন, ‘এয়ারপোর্টে গিয়ে পাসপোর্ট দেখালেই তাঁরা ধরা খেয়ে যান যে পাসপোর্ট বাতিল। গতকাল আওয়ামী লীগের এক সাহেবের নাকি হয়েছে, শুনেছি। এ রকম বহু সাহেব আছে যাঁদের পাসপোর্ট ও ভিসা ভেতরে-ভেতরে বাতিল হয়ে গেছে।’
বিএনপির এই নেতা আরও বলেন, ‘পাসপোর্ট বাতিলের ঘটনা স্পষ্ট প্রমাণ করে তাঁরা দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকিস্বরূপ। তাঁদের হাতে দেশের গণতন্ত্র, দেশের মানুষের জীবন, মানুষের সম্পদ কিছুই সুরক্ষিত নয়। বরং মানুষ মনে করে স্বাধীনতার ঘোষকের হাতেই স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব সুরক্ষিত থাকতে পারে।’

মির্জা আব্বাসের ভাষ্য, ‘আওয়ামী লীগের লোকজন বিএনপির মিছিলে অংশ নেওয়া শুরু করেছে। কারণ, তাঁরাও খবর পেয়ে গেছে, এ দেশে আর আওয়ামী লীগের রাজত্ব চলবে না। আওয়ামী লীগের কিছু নেতা লুটপাট, চুরিচামারি করে অনেক ধনী হয়ে গেছে। সাধারণ কর্মীরা ধনী হতে পারেনি।’

বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে হত্যার চক্রান্ত হচ্ছে—এমন অভিযোগ তুলে মির্জা আব্বাস দলের নেতা-কর্মীদের বলেন, ‘আমাদের প্রতিরোধ করতে হবে, প্রতিহত করতে হবে। পুলিশ বাহিনী দিয়ে বিএনপিকে আর আটকানো যাবে না।’

একই অনুষ্ঠানে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ‘আজ নাম প্রকাশ হয়েছে ছয় থেকে সাতজনের। গতকাল প্রকাশিত হয়েছে নানকের (আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা জাহাঙ্গীর কবির নানক) নাম। অপ্রকাশিত কত যে নাম আছে আপনারা জানেন না। আমেরিকায় কারা মুদ্রা পাচার করেছেন, কারা সেখানে সম্পদ করেছেন, এটা আমেরিকার ফিন্যান্সিয়াল ডিপার্টমেন্ট টান দিচ্ছে। এই টান দিলেই দেশের টাকা লুট করে যাঁরা বাড়িঘর করেছেন, সেই বাড়িঘর তো রেখেই আসতে হবে। এমনও হতে পারে, বিনা বস্ত্রে দেশে ফেরত আসতে হতে পারে। প্রকৃতির শাস্তি সবাইকে ভোগ করতে হবে।’

আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। প্রধান বক্তা ছিলেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন। বক্তব্য দেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সেলিমা রহমান, ইকবাল হাসান মাহমুদ চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক আবদুস সালাম ও ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সদস্যসচিব আমিনুল হক প্রমুখ।

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন