হাছান মাহমুদ বলেন, 'সমগ্র পৃথিবী, এমন কি অর্থনৈতিকভাবে অনেক সামর্থ্যবান দেশও সাশ্রয়ীভাবে বিদ্যুৎ ব্যবহার করছে। প্রধানমন্ত্রী সেভাবেই বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়ার আহবান জানিয়েছেন। যারা ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ দিতে পারেনি, বিদ্যুতের দাবিতে কানসাটে মিছিলকারীদের ওপর গুলিবর্ষণ করেছে, হত্যা করেছে, তাদের বিদ্যুৎ নিয়ে কথা বলারই অধিকার থাকে না। আসলে বিএনপির কাছে কোনো ইস্যু নেই তো, তাই কিছু একটা তো বলতে হবে, সেজন্যই কথা বলে।'

কোরবাসির পশুর চাহিদা প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, আমাদের দেশের গরু-ছাগল দিয়েই এবার ঈদ-উল-আযহার চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হয়েছে। অনেক গরু-ছাগল বিক্রি না হওয়ায় ফেরতও গেছে। অর্থাৎ চাহিদার তুলনায় বেশি যোগান ছিল। এগুলো সরকারের নানামুখী নীতির কারণেই সম্ভব হয়েছে।

চট্টগ্রাম নগরের জলাবদ্ধতা নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা নিরসনের জন্য তিনটি প্রকল্পে ১১ হাজার কোটির কাছাকাছি টাকা বরাদ্দ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। যারা এই প্রকল্পগুলো বাস্তবায়ন করছে, এই টাকার সদ্ব্যবহার ও সমন্বিতভাবে কাজ করা তাদের দায়িত্ব। যারা জলাবদ্ধতা প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে আমি তাদের সবসময় তাগাদা দিয়ে আসছি।’

নিজেও চট্টগ্রাম শহরে জলাবদ্ধতার মধ্যেই বড় হয়েছেন উল্লেখ করে হাছান মাহমুদ বলেন, মানুষের প্রত্যাশা ছিল, এবার যেহেতু জলাবদ্ধতা প্রকল্প বাস্তবায়ন হচ্ছে গতবারের তুলনায় এবার পানি কম উঠবে। যেহেতু জলাবদ্ধতা প্রকল্পটি সম্পূর্ণ বাস্তবায়ন হয়নি মাঝপথে আছে, সেজন্য মানুষ এখনো সুফল পাচ্ছে না। বৃষ্টির মৌসুম শেষ হলে কাজ দ্রুত শেষ হবে।

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন