default-image

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ঢাকা সফরকে কেন্দ্র করে  ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ঘটে যাওয়া ঘটনার পেছনে তৃতীয় কোনো রাষ্ট্রের ইন্ধন রয়েছে বলে মনে করেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা জাফরুল্লাহ চৌধুরী।

আজ সোমবার দুপুরে ধানমন্ডির গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সংঘটিত হত্যা ও ধ্বংসাত্মক ঘটনার বিবরণ তুলে ধরতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে জাফরুল্লাহ চৌধুরী এ কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘হেফাজতের কর্মকাণ্ড কোনোভাবেই সমর্থন করি না। তবে তাদের মিটিং-মিছিল করাটাকে সমর্থন করি। এটা তাদের মৌলিক অধিকার।’
এই চিকিৎসক বলেন, ‘আমরা ১৪ সদস্যের একটি টিম ঘটনার স্থান পরিদর্শন করি।

সেখানে স্থানীয় জনগণ, আওয়ামী লীগ, পুলিশ ও হেফাজতের বক্তব্য শুনেছি এবং দেখেছি। শুনে এবং দেখে এটিই আমাদের কাছে প্রতীয়মান হয়েছে যে এই হামলার সঙ্গে তৃতীয় রাষ্ট্রের ইন্ধন রয়েছে।’ এই সিদ্ধান্তে আসার পেছনের কারণ হিসেবে তিনি বলেন, ‘রেলস্টেশনে আগুনের ঘটনা সাত দিন আগে ঘটলেও ৩ এপ্রিল আমরা সেখানে গিয়ে দেখেছি আগুন জ্বলছে। এটা কেন? এটা কাকে দেখাতে চান? তাহলে এটা কি হেফাজত ইসলাম নাকি জনগণ নাকি অন্য কোনো তৃতীয় রাষ্ট্র এখানে জড়িত।’

জাফরুল্লাহ বলেন, রাজনীতি এখন আমলা ও ব্যবসায়ীদের হাতে চলে গেছে। রাজনীতি রাজনীতিবিদদের করতে দেন। সেখানকার সাংসদ একজন আমলা, তাঁর কোনো রাজনৈতিক কর্মী নেই। তাঁর রয়েছে পুলিশ ও হেলমেট বাহিনী।

বিজ্ঞাপন

জোনায়েদ সাকি সংবাদ সম্মেলনে তিনটি প্রস্তাব তুলে ধরেন। এক. নিহত-আহত মানুষের তালিকা প্রকাশ করে হত্যাকাণ্ডের তদন্ত ও সঠিক বিচার ও ক্ষতিপূরণ দেওয়া। দুই, বায়তুল মোকাররম থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পর্যন্ত পুরো ঘটনার বিশ্বাসযোগ্য তদন্ত ও তদন্ত কমিটিতে নাগরিকদের বিভিন্ন পক্ষকে রাখা। তিন. মামলার নামে হয়রানি বন্ধ করা।

গণফোরামের সাবেক নেতা রেজা কিবরিয়া বলেন, মানুষ এখন কথা বলতে পারে না। অজ্ঞাতনামা দিয়ে মানুষকে আটকানোর সুযোগ হয়েছে। সবাইকে এই ধরনের অত্যাচারের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ভাসানী অনুসারী পরিষদের মহাসচিব শেখ রফিকুল ইসলাম, রাষ্ট্রবিজ্ঞানী অধ্যাপক দিলারা চৌধুরী, বীর মুক্তিযোদ্ধা ইশতিয়াক আজিজ উলফত, রাষ্ট্রচিন্তার হাসনাত কাইয়ুম, পানিবিশেষজ্ঞ ম. ইনামুল হক প্রমুখ।

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন