default-image

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ছিলেন একজন রাষ্ট্রীয় খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা। মুক্তিযুদ্ধে অবদান রাখা বীর উত্তমদের মধ্যে তিনি ছিলেন একমাত্র, যিনি অত্যন্ত সাহসিকতার সঙ্গে বাংলাদেশের ভূখণ্ডে থেকে যুদ্ধ করেছেন। তাই তাঁর পদক কেড়ে নেওয়া নয়, সরকারের উচিত তাঁকে মরণোত্তর সংবর্ধনা দেওয়া।

আজ শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এক মানববন্ধনে তিনি এসব কথা বলেন। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের বীর উত্তম খেতাব বাতিলের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে এই কর্মসূচি পালন করে ২০–দলীয় জোটের শরিক দল ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এনডিপি)।

বিজ্ঞাপন

মুক্তিযুদ্ধে জিয়ার অবদান তুলে ধরে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ‘জিয়াউর রহমান শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বকে মেনে তাঁর অবর্তমানে স্বাধীনতার ঘোষণা করেছিলেন। অর্থাৎ শেখ মুজিবুর রহমান জেলখানায় থাকলেও তাঁর না পারা কাজটি জিয়াউর রহমান করেছিলেন। এ জন্য আমি ভেবেছিলাম, স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে জিয়াউর রহমানকে মরণোত্তর সংবর্ধনা দেওয়া হবে।’

জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের (জামুকা) সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘ইদানীংকালে অসংখ্য ভুয়া মু্ক্তিযোদ্ধা বানানো হয়েছে। অনেকে ভুয়া মু্ক্তিযোদ্ধার সনদ দিয়ে ভাতা তুলছেন, চাকরি করছেন। এসব দেখে মনে হয়, সম্মুখযুদ্ধের মুক্তিযোদ্ধার চেয়ে তাদের অবদান বেশি।’

মানববন্ধন থেকে জিয়াউর রহমানের খেতাব বাতিলের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে তা প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়। মানববন্ধনে অন্যদের মধ্যে লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান ও এনডিপির চেয়ারম্যান কে এম আবু তাহের বক্তব্য দেন।

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন