বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বৃহস্পতিবার দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে নব্বইয়ের ডাকসু ও সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্যের নেতারা এ অভিযোগ করেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাবেক ভিপি আমানউল্লাহ বলেন, ‘প্রেসক্লাবের ব্যবস্থাপনা কমিটি এ ধরনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে প্রেসক্লাবের গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক ঐতিহ্যকে যেমন ভূলুণ্ঠিত করেছে, তেমনি বর্তমান স্বৈরাচারী, গণতন্ত্র হত্যাকারী, বিনা ভোটের নিশিরাতের সরকারের রাজনীতি, গণতন্ত্র ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতাবিরোধী ঘৃণ্য তৎপরতাকেই সহযোগিতা করল।’

আমানুল্লাহ বলেন, ‘একজন রাজনীতিবিদের বিরুদ্ধে মামলা হওয়া কিংবা মামলার রায় হলেই তিনি জাতীয় প্রেসক্লাবে আসতে পারবেন না বা প্রেসক্লাবে ভিডিও কনফারেন্সেও কথা বলতে পারবেন না, এটা কোনোমতেই গ্রহণযোগ্য নয়। আমরা এ সিদ্ধান্ত অবিলম্বে প্রত্যাহার করার আহ্বান জানাচ্ছি।’

এ সময় আমানউল্লাহ ১৯৭৭ সালের ডিসেম্বরে প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের জাতীয় প্রেসক্লাবের জায়গা স্থায়ীভাবে বরাদ্দ প্রদান, ১৯৭৯ সালে প্রেসক্লাব ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন এবং ২০০৪ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার প্রেসক্লাবের বহুতল ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের কথা উল্লেখ করেন।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ফজলুল হক, নব্বইয়ের সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্যের শামসুজ্জামান, আসাদুজ্জামান রিপন, হাবিবুর রহমান, রুহুল কবির রিজভী, খায়রুল কবির, জহিরউদ্দিন স্বপন, নাজিম উদ্দিন আলম, মোস্তাফিজুর রহমান, সাইফুদ্দিন আহমেদ, খন্দকার লুৎফুর রহমান, আসাদুর রহমান খান, কামরুজ্জামান রতন, আবদুল মালেক, শিরিন সুলতানা প্রমুখ।

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন