বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক হামলার ঘটনায় ভারতীয় গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের প্রসঙ্গ টেনে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় কলকাতার একটি টিভি চ্যানেলে সংযুক্ত হয়েছিলেন বলে জানান। সে প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমি বললাম, এই যে দরাজ কণ্ঠে বলছেন, মুজিব কন্যা লড়াই করছেন, এই কথাটা যাতে আপনারা বুঝতে পারেন, তার জন্য শেখ হাসিনা এ ঘটনা ঘটাইছে।’

বিএনপির এই নেতা জানান, বরকত উল্লাহসহ বিএনপির নেতা–কর্মীরা সাম্প্রদায়িক হামলার সঙ্গে জড়িত নন। তিনি কুমিল্লায় মন্দিরে পবিত্র কোরআন রাখার দায়ে গ্রেপ্তার ইকবালের ফুটেজকে শুটিং বলে আখ্যা দেন। তিনি বলেন, এটা কোনো সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা নয়, এটা সম্পূর্ণ রাজনৈতিক। কারণ, এটা রাজনৈতিক কৌশল। এ ধরনের ঘটনার মধ্য দিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করা হয়।

গয়েশ্বর আরও জানান, অনেক দিন ধরে পুলিশের বাজার মন্দা। এ জন্য নানা ধরনের মামলা সাজাচ্ছে তারা। মামলা দিলেই টাকা আসে। পুলিশ আয়ের পথ খুঁজে নিয়েছে।

জিনিসপত্রের দাম কার স্বার্থে বাড়ছে প্রশ্ন করে গয়েশ্বর চন্দ্র জানান, বাজারে জিনিসের অভাব নেই, অথচ দাম বেশি। তিনি আরও জানান, এখন পর্যন্ত সরকার বিদেশ থেকে যে ধারদেনা করেছে, আগামী ২০২২ সাল থেকে তা পরিশোধ করতে হবে। অর্থ কোথায়? উন্নয়নের নামে সব পাচার হয়েছে। ধারের টাকা চুরি করে বিদেশে পাচার করেছে।

আওয়ামী লীগ সহিষ্ণু বলে বিএনপি রাজনীতি করতে পারছে—আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের এমন বক্তব্যের জবাবে বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী জানান, তাঁর এ বক্তব্যের মধ্যেই অসহিষ্ণুতা আছে। তাঁদের সহিষ্ণুতা–অসহিষ্ণুতার ওপর ভিত্তি করে অন্যরা রাজনীতি করবে—এ কথাই হচ্ছে নাৎসিবাদী, ফ্যাসিবাদী কথা। তিনি আরও জানান, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি হলেও সরকারের কোনো জবাবদিহি নেই। তাই ক্রমাগত জিনিসের দাম বাড়িয়ে চলছে।

জলবায়ু সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ প্রসঙ্গে রিজভী জানান, যে প্রধানমন্ত্রী নিজের দেশের সুন্দরবন উজাড় করে দেওয়ার জন্য রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র করছেন, তিনি যাচ্ছেন গ্লাসগোতে পরিবেশ সম্মেলনে, এটা স্ববিরোধিতা।

মানববন্ধনে আরও বক্তব্য দেন ঢাকা জেলা বিএনপির সভাপতি দেওয়ান মো. সালাউদ্দিন, বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবদুস সালাম, যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন, মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক সুলতানা আহমেদ প্রমুখ।

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন