বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মাগুরায় সহিংসতায় নিহত হওয়ার ঘটনা সম্পর্কে বাহাউদ্দিন নাছিম বলেন, ‘একটা ইউনিয়নের সদস্য প্রার্থীদের অনুসারীদের মধ্যে সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। দুই প্রার্থীই একই ধারণা ও চিন্তার অধিকারী। তাঁরা এখন পরিচয় দিলেও আসলে আমাদের ঘরানার লোক নন। এটা খুবই স্পষ্ট। তাই এটি আওয়ামী লীগের বহিরাগত বা ভেতরের বিষয় না। স্থানীয় গোষ্ঠীগত দ্বন্দ্ব। এর সঙ্গে আওয়ামী লীগের কোনো সাংগঠনিক সম্পর্ক নেই।’
প্রসঙ্গত, ইউপি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ১৫ অক্টোবর মাগুরা সদরের জগদল গ্রামে দুই পক্ষের সংঘর্ষে আপন দুই ভাইসহ চারজন নিহত হন।

ইতিমধ্যে নির্বাচন ঘিরে সহিংসতা ও কোন্দলের কারণে মাগুরা জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতির পদ থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছিলেন আ ফ ম আবদুল ফাত্তাহ। যদিও পরে সেই পদত্যাগপত্র প্রত্যাহার করেন তিনি। এ বিষয়ে বাহাউদ্দিন নাছিম বলেন, ‘তিনি পদত্যাগ করবেন না। ভালোভাবে দায়িত্ব পালন করবেন এবং ইউপি নির্বাচনে প্রার্থীর পক্ষে কাজ শুরু করেছেন।’

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে নাছিম বলেন, এ আইন নারীদের সামাজিকভাবে নিরাপত্তা দিচ্ছে। এ আইন উঠিয়ে নিলে নির্যাতন ও মিথ্যাচার অনেক বেড়ে যাবে এবং সামাজিকভাবে কোনো পরিবারের মর্যাদা থাকবে না।

এ সময় বিএনপির রাজনীতি সম্পর্কে নাছিম বলেন, বিএনপি থেকে আওয়ামী লীগে আসার দরজা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বিএনপির কমিটি টিকে আছে। নতুবা বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটি অনেক আগেই শেষ হয়ে যেত।

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কাজী জাফর উল্যাহর সভাপতিত্বে বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন সাংগঠনিক সম্পাদক বি এম মোজাম্মেল হক, কার্যনির্বাহী সদস্য আমিরুল আলম, পারভিন জামান, গ্লোরিয়া সরকার।

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন