default-image

তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাছান মাহমুদ বলেছেন, মানুষ যখন করোনাভাইরাস নিয়ে অত্যন্ত উদ্বিগ্ন, বিএনপি তখন বাস ও মানুষ পোড়ানোর খেলায় মেতেছে।

আজ রোববার দুপুরে সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলনকক্ষে সমসাময়িক বিষয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন। প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সুরথ কুমার সরকার এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

হাছান মাহমুদ বলেন, আজ করোনাভাইরাসের কারণে স্তব্ধপ্রায় পুরো পৃথিবী এর মোকাবিলায় হিমশিম খাচ্ছে। বাংলাদেশ এর ব্যতিক্রম না হলেও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বে বাংলাদেশ ধনাত্মক জিডিপি প্রবৃদ্ধির হাতে গোনা কয়েকটি দেশের মধ্যে অন্যতম। করোনায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের মৃত্যুহারও ইউরোপ-আমেরিকার দেশগুলোর চেয়ে কম তো বটেই, ভারত-পাকিস্তানের চেয়েও কম।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘করোনাভাইরাস মোকাবিলায় যখন সবাই হিমশিম খাচ্ছে, প্রতিটি মানুষ অত্যন্ত উদ্বিগ্ন। সেই পরিস্থিতিতেও আমরা দেখতে পেলাম গত বৃহস্পতিবার বিএনপি আবার বাস ও মানুষ পোড়ানোর পুরোনো খেলায় মেতে উঠেছে।’

তথ্যমন্ত্রী বলেন, দেশের সরকার তো বটেই, সব শ্রেণি-পেশার মানুষও যখন দুর্গতদের পাশে দাঁড়িয়েছে, তখন বিএনপি দুর্গতদের পাশে না দাঁড়ায়নি। বরং যাত্রীবাহী বাসে আগুন দেওয়া শুরু করেছে, যেটি অত্যন্ত ন্যক্কারজনক, নিন্দনীয় এবং তারা এই অপরাজনীতি থেকে বেরিয়ে আসতে পারেনি।

বিজ্ঞাপন

তথ্যমন্ত্রী বলেন, বিএনপি নিজেরাই বাস পুড়িয়েছে, আবার এটার বিরুদ্ধে তারা নানা কর্মসূচি ঘোষণা করেছে, যা অত্যন্ত হাস্যকর। গ্রেপ্তার করা হয়েছে ভিডিও ফুটেজ দেখেই, অনেককে সন্দেহজনক গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তাঁদের বেশির ভাগই বিএনপির সঙ্গে যুক্ত। প্রথম বাসে আগুন দেওয়ার ঘটনাটিও কিন্তু নয়াপল্টনে বিএনপির কার্যালয়ের সামনে একটি সরকারি বাসে। সুতরাং এই অপরাজনীতি যারা করে, তারা কখনো জনগণের রাজনীতির দল হতে পারে না।

হাছান মাহমুদ বলেন, ‘অবাক লাগে কীভাবে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাহেব অবলীলায় মিথ্যা বলে যান। দুনিয়াতে মিথ্যা বলার ক্ষেত্রে যদি কোনো পুরস্কার থাকত, মির্জা ফখরুল ইসলাম প্রথম পুরস্কার পেতেন। মির্জা ফখরুলকে বলব এই অপরাজনীতি এবং ক্রমাগত মিথ্যা বলার রাজনীতি থেকে দয়া করে বের হয়ে আসুন।’

মন্তব্য পড়ুন 0