বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

তথ্যমন্ত্রী বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তানের কারাগারে ছিলেন বিধায় তিনি শপথ নিতে পারেননি। তাঁর নেতৃত্বেই গঠিত সরকার ১৯৭১ সালের এই দিনে তৎকালীন কুষ্টিয়ার মুজিবনগরে শপথ নিয়েছিল। এই মুজিবনগর সরকারের অধীনেই পুরো মুক্তিযুদ্ধ পরিচালিত হয়েছে। এই সরকারের অধীনেই মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর কমান্ডারদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল।

বিএনপির মুজিবনগর দিবস পালন না করা প্রকারান্তে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে অস্বীকার করা, স্বাধীনতাসংগ্রামকে অস্বীকার করা বলে মন্তব্য করেন হাছান মাহমুদ।

তথ্যমন্ত্রী এ সময় মুজিবনগর দিবসে সাংবাদিকদের ভূমিকার কথা স্মরণ করেন। তিনি বলেন, ‘এ দিন শপথ গ্রহণে যাওয়ার জন্য মুজিবনগর সরকারের সদস্যরা এবং সংবাদ সংগ্রহের জন্য দেশি-বিদেশি সাংবাদিকেরা মধ্যরাতে কলকাতা প্রেসক্লাব থেকে যাত্রা শুরু করেছিলেন। পরে সবাই কুষ্টিয়া জেলার মেহেরপুর মহকুমার বৈদ্যনাথতলা আম্রকাননে সমবেত হন। সেই জায়গার নামকরণ করা হয় মুজিবনগর।

যে সাংবাদিকেরা সে দিনের এ সংবাদ সারা বিশ্বে ছড়িয়ে দিয়েছিলেন, তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই।’

‘সংবাদ শিরোনামে বঙ্গবন্ধু’বইটি নিয়ে হাছান মাহমুদ বলেন, ১৯৫২ থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে যে সংবাদগুলো পরিবেশিত হয়েছিল, সেগুলো এ বইয়ে স্থান পেয়েছে। তথ্যসংবলিত এমন দুর্লভ চিত্র এখানে আছে, যা দেখলে পুরো বইটি পড়তে ইচ্ছে হয়। তিনি বলেন, তখনকার দৈনিক আজাদ, ইত্তেফাক, সংবাদ, দৈনিক পাকিস্তান, দৈনিক বাংলা, পূর্বদেশ, পিপলস, মর্নিং স্টার, অবজারভার, বিদেশি পত্রিকার মধ্যে আনন্দবাজার পত্রিকা, দ্য হিন্দু, ইভিনিং নিউজ, নিউইয়র্ক টাইমস, টাইমস, জাপান টাইমস, দ্য গার্ডিয়ান, ইভিনিং নিউজ, ওয়াশিংটন পোস্টসহ বিভিন্ন পত্রিকার সংবাদের তথ্য বইটিকে সমৃদ্ধ করেছে।

তথ্য ও সম্প্রচারসচিব মো. মকবুল হোসেনের সভাপতিত্বে সভায় অংশ নেন বাংলাদেশ প্রেস ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক জাফর ওয়াজেদ, চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক স ম গোলাম কিবরিয়া, প্রধান তথ্য কর্মকর্তা মো. শাহেনুর মিয়া।

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন