২০-দলীয় জোটের হরতালকে কেন্দ্র করে যশোরে বিএনপি-জামায়াতের সাড়ে ৯০০ নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। যশোরের ছয়টি থানায় বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে আজ সোমবার মামলাগুলো করেছে পুলিশ। যশোর কোতোয়ালি, কেশবপুর, মনিরামপুর, অভয়নগর, চৌগাছা ও ঝিরকগাছা থানায় মামলাগুলো করা হয়। মামলায় ২০০ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে, বাকিরা অজ্ঞাত। এসব মামলায় গতকাল রবি ও আজ সোমবার ২৯ জনকে আটক করেছে পুলিশ।
আজ বিকেলে যশোর প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে জেলা বিএনপির পক্ষ থেকে এ দাবি করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে মামলাগুলো প্রত্যাহারের আহ্বান জানানো হয়।

আটক ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন যশোর জেলা বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য মশিয়ার রহমান ও সদর উপজেলার নরেন্দ্রপুর ইউনিয়ন কমিটির সাধারণ সম্পাদক ওলিয়ার রহমান।

যশোর জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ সাবেরুল হক এ বিষয়ে বলেন, ‘রাজনৈতিকভাবে হয়রানি করতে পুলিশ এসব মামলা দিয়েছে।’

এ ব্যাপারে যশোর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইনামুল হক প্রথম আলোকে বলেন, রোববার বিকেলে আসামিরা সদর উপজেলার রূপদিয়া বাজারে হরতালের সমর্থনে মিছিলের নামে রাস্তায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেন। এ সময় তাঁরা বোমার বিস্ফোরণ ঘটান। যে কারণে কোতোয়ালি থানায় মামলা করা হয়েছে।

এ দিকে যশোরে আজ ২০-দলীয় জোটের হরতাল ঢিলেঢালাভাবে পালিত হয়েছে। সকাল থেকে শহরের অধিকাংশ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান খোলা ছিল। যশোর থেকে দূরপাল্লার যানবহন না ছাড়লেও শহরে হালকা যান চলাচল করতে দেখা যায়। হরতালের সমর্থনে বিএনপি-জামায়াতের কোনো নেতা-কর্মীকে রাজপথে দেখা যায়নি। তবে আওয়ামী লীগের উদ্যোগে শহরে হরতালবিরোধী একটি মিছিল বের করা হয়।

বিজ্ঞাপন
রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন