সম্মেলন ছাড়াই গতকাল রোববার দুপুরে নেত্রকোনার কেন্দুয়া পৌর শাখা ও ১০টি ইউনিয়নের যুবলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়। উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের আহ্বায়ক মোস্তাফিজ উর রহমান পৌরসভা প্রাঙ্গণে আনুষ্ঠানিকভাবে কমিটি ঘোষণা করেন।
তবে তিন ঘণ্টা পর উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক কমিটি বিলুপ্তি ঘোষণাসহ সব কার্যক্রম স্থগিত রাখার নির্দেশ দিয়েছেন জেলা শাখার আহ্বায়ক মাসুদ খান। সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুক পোস্টে এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে জেলা কমিটির জরুরি বৈঠক আহ্বান করে উপজেলা কমিটি বিলুপ্তিসহ তাদের কার্যক্রম স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। উপজেলা কমিটির মাধ্যমে ১১ কমিটি ঘোষণার পর ওই দিনই উপজেলা কমিটি বিলুপ্তি ঘোষণার ঘটনায় দলীয় নেতা-কর্মীদের মাঝে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
এ বিষয়ে উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুবলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক হারুন অর রশিদ মার্চ মাসের মধ্যে ইউনিয়নের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। তাঁর নির্দেশনা নিয়েই আমরা ১টি পৌরসভা ও ১০টি ইউনিয়নের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা দিয়েছি। জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক মাসুদ খান ফেসবুকে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে উপজেলা কমিটি বিলুপ্তিসহ সাংগঠনিক কার্যক্রম স্থগিতের যে নির্দেশনা দিয়েছেন, তা হতাশাজনক। কারণ, এই নির্দেশনার আগে আমাদের কী ভুল ছিল বা দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ করা হয়েছে কি না, সে বিষয়ে লিখিত বা মৌখিকভাবে কিছুই জানানো হয়নি।’
জানতে চাইলে মাসুদ খান গতকাল রাত সাড়ে আটটার দিকে বলেন, উপজেলা আহ্বায়ক কমিটির নেতারা অগণতান্ত্রিকভাবে সম্মেলন ছাড়াই পকেট কমিটির ঘোষণা দেন। এতে ত্যাগী নেতা-কর্মীদের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। তাই দলীয় শৃঙ্খলা রক্ষায় ওই ঘোষিত কমিটি বিলুপ্ত করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য করুন