বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, দেশের বর্তমান রাজনৈতিক সংকট নিরসনে বিভিন্ন দলের নানামুখী চিন্তা থাকতে পারে। তবে সরকারের ফ্যাসিবাদী আচরণ সবাইকে দ্রুত ঐক্যবদ্ধ করছে। জাতীয় ঐক্যের ভাবনা চলমান। শুধু বর্তমান সরকারকে পদত্যাগ করলে হবে না, সংসদও ভেঙে দিতে হবে। আন্দোলনে আঘাত এলে পাল্টা আঘাত করতে হবে। এই সরকার চলে গেলে পুলিশই নিরপেক্ষ নির্বাচন করতে বাধ্য হবে।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, যেনতেনভাবে নির্বাচন করতে দেওয়া হবে না। বিদেশি শক্তিরাও এখন লজ্জিত। এক দলের সঙ্গে বন্ধুত্ব মানে দেশের সঙ্গে বন্ধুত্ব থাকে না, এটি তারা উপলব্ধি করতে পেরেছে। দেশের অর্থনীতির অবস্থা নাজুক উল্লেখ করে গয়েশ্বর চন্দ্র বলেন, ২০০ কোটি টাকার প্রকল্প ৫০০ কোটি খরচ করা হচ্ছে। ঋণের টাকা, সুদের টাকা ফেরত দেওয়া শুরু করলে কীভাবে চলবে?

শ্রীলঙ্কার উদাহরণ টেনে গয়েশ্বর বলেন, ‘শ্রীলঙ্কার অর্থনীতিও ভালো ছিল। ক্ষমতাশীলদের সীমাহীন দুর্নীতি ও লুটপাটের কারণে দেশটির এখন এমন অবস্থা। শ্রীলঙ্কার ঘটনার পেছনের বাস্তবতা বাংলাদেশেও বিরাজমান। শ্রীলঙ্কার অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিন।’

সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, বর্তমানের সরকারের বিরুদ্ধে একটি ঐকমত্য তৈরি হয়েছে। এই ঐকমত্যকে এক মঞ্চে নিয়ে আসার উদ্যোগ নিতে হবে।

বিএনপির সাবেক নেতা অলি আহমদ ২০০৬ সালে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) গঠন করেন। তিনি বিএনপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী পর্ষদ স্থায়ী কমিটির সদস্য ও বিএনপি সরকারের মন্ত্রী ছিলেন।

default-image

এলডিপির চেয়ারম্যান অলি আহমদ ২০১৯ সালের ৯ অক্টোবর ২০৩ সদস্যের কমিটি ঘোষণা করেন। কমিটিতে পদবঞ্চিত নেতারা ওই বছরের ১৮ নভেম্বর আবদুল করিম আব্বাসী ও শাহাদাত হোসেন সেলিমের নেতৃত্বে পাল্টা কমিটি গঠন করেন। গতকাল অলি আহমদের নেতৃত্বাধীন এলডিপির কেন্দ্রীয় সহসভাপতি আবু জাফর সিদ্দিকীসহ বিভিন্ন পর্যায়ের ২১৫ জন নেতা একযোগে পদত্যাগ করেন। এ ছাড়া এলডিপির যুববিষয়ক অঙ্গসংগঠন গণতান্ত্রিক যুবদল, ধর্মবিষয়ক সংগঠন গণতান্ত্রিক ওলামা দল ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের পুরো কমিটির নেতারাও পদত্যাগ করেন।

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন